নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - ভোট চলাকালীন নিয়মবিরুদ্ভাবে ইভিএম মেশিনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকার অভিযোগ উঠল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের বিরুদ্ধে। জেলার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় ভোটকেন্দ্র। যদিও প্রশাসনের পর্যবেক্ষণে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।
রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ প্রায় শেষের পথে। জানা যাচ্ছে, ২২৯ নম্বর বুথের যন্ত্র হঠাৎ খারাপ হয়ে যায়। এরপরই সেটির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। কেন্দ্রের ভেতরে বিএসএফ ঢুকে পড়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। এছাড়াও দীর্ঘক্ষণ মেশিনটি বিকল থাকায় প্রায় ১ ঘণ্টা দান প্রক্রিয়া বন্ধ থাকে। এই আবহেই সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বচ্ছ নির্বাচন নিয়ে গভীর সন্দেহ তৈরি হয়।
পোলিং এজেন্ট ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বুথের ভেতরে ঢুকে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছিল বাহিনী। জনপ্রতিনিধিরাও এই আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানান। তাদের বক্তব্য, ব্যালট বক্স ঠিক আছে কি না তা দেখা নিরাপত্তারক্ষীদের কাজ নয়। ব্যাপক প্রতিরোধের মুখে পড়ে বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল হলেও ওই এলাকায় কড়া নজরদারি চালাচ্ছে প্রশাসন।
সামরিক কর্মীদের এই অতিসক্রিয়তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তাপ বেড়েছে
সন্ধ্যা ৬ টার পরেও ভোটারদের লাইনে দেখা যায়
আসানসোল উত্তর বিধানসভার একটি বুথে ভোট দিলেন তিনি
প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধাকে মারধরের অভিযোগ জওয়ানের বিরুদ্ধে
অফিসারদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ কমিশনের
যদিও এই বিষয়ে ঘাসফুল শিবিরের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি
নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় রক্ষক নিজেই আহত
পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় প্রশাসন
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে স্বভাবতই সরব হয়েছে ঘাসফুল শিবির
পুলিশের সামনেই চলে বেধড়ক মারধর
থানায় অভিযোগ দায়ের বিজেপির
বিকেল ৫ টায় ভোট দেবেন নন্দলাল বসুর নাতি ও তার স্ত্রী
ভোটের দিনেই এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে দিনহাটার রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে
প্রকৃত সত্য ব্যাখ্যা করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছেন তিনি
ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়
পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় প্রশাসন
বিকেল ৪টের পর থেকে সক্রিয় হতে পারে দুষ্কৃতীরা
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে স্বভাবতই সরব হয়েছে ঘাসফুল শিবির
পুলিশের সামনেই চলে বেধড়ক মারধর
থানায় অভিযোগ দায়ের বিজেপির