নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - সংসারে এখন নুন আনতে পান্তা ফুরায়। দরিদ্র পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য আজ চার পাঁচ মাস ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত। মারণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই সংসারের বেহাল দশা। এখন একবেলা খাওয়ার পর অবেলার অন্ন যোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছে পরিবার। এই মুহূর্তে সরকারি সংস্থার কাছে সাহায্যের আবেদন জানাচ্ছে দারিদ্র্যের পরিবার।

সূত্রের খবর , আক্রান্ত ব্যক্তির নাম শ্যামসুন্দর বাগদি। প্রথমদিকে শরীর অসুস্থ হয়ে পড়লেও বোঝা যায়নি রোগের জটিলতা। ধীরে ধীরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। পরীক্ষার মাধ্যমে তার যক্ষ্মা ধরা পড়ে। বর্ধমানের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা শুরু হলেও বর্তমানে আর নিয়মিত চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারছেন না তিনি। কারণ , যে পরিবারে নুন আনতে পান্তা ফুরায় সেই পরিবারে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়াটা ভীষণই দুষ্কর।

গোটা সংসারের দায়িত্ব ছিল একার কাঁধে। অসুস্থতার কারণে এখন আর কাজে যেতে পারেন না। বাড়িতে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী ও দশ বছরের এক কন্যাসন্তান। উপার্জন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন দেওয়ালে পিঠ থেকে যাওয়ার মত অবস্থা। অনেক দিনই ঠিকমতো দু’বেলা খাবার জোটে না। কন্যা সন্তানের ভবিষ্যতও এখন বিশ বাঁও জলে। নিয়মিত ওষুধ কেনার সামর্থ্যও নেই তার।
এমতাবস্থায় এগিয়ে এসেছেন পাড়া-প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজনরা। যতটা পারছেন সাধ্যমত সাহায্য করছেন। তবে এইভাবে দীর্ঘকাল সংসার চালানো সম্ভব নয়। একটা সঠিক ব্যবস্থা করতে হবে বলেই দাবি পরিবার সহ গ্রামবাসীর। একটা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যেন খুব শীঘ্রই এগিয়ে আসে। সেই আশায় দিন গুনছে পরিবার সহ গ্রামবাসীরা। এত কিছুর মাঝেও ফের কবে সুস্থ হয়ে কাজে ফিরতে পারবেন সেই আশায় শ্যামসুন্দরবাবু।

আক্রান্ত শ্যামসুন্দর বাগদি জানিয়েছেন , "আমি পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ব্যক্তি। সরকারের দৌলতে যেটুকু চিকিৎসা করাতে পেরেছি।।এছাড়া আর এগোতে পারছিনা। ওষুধ কিনতে পারছিনা। ঘরে আমার একটা মেয়ে রয়েছে। ওর ভবিষ্যৎ পড়াশুনা তো দূরের কথা ঠিকভাবে ওর মুখে খাবার তুলে দিতে পারছিনা। গ্রামবাসী আত্মীয় স্বজনরা একটু সাহায্য করে বলে বেঁচে আছি। আমার মনে হয় কোনো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যদি দায়িত্ব নিত খুবই উপকৃত হতাম।"
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
ভুক্তভোগীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা জড়ো হলেও ততক্ষণে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর