নিজস্ব প্রতিনিধি , ইকুয়েডর - গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জকে অনেকদিন ধরেই বিবর্তনের জীবন্ত জাদুঘর বলা হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই দ্বীপপুঞ্জ আর শুধু ইতিহাসের সাক্ষী নয়, বরং প্রকৃতি পুনর্গঠনের এক অভিনব পরীক্ষাগার হয়ে উঠেছে। শতাব্দীপ্রাচীন পরিবেশগত ক্ষতি সারাতে এখানে প্রধান ভূমিকা নিচ্ছে এক ধীরগতির প্রাণী—দৈত্যাকার কচ্ছপ।

উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে যখন চার্লস ডারউইন গ্যালাপাগোসে পা রাখেন, তখন এই কচ্ছপগুলিই ছিল দ্বীপের বাস্তুতন্ত্রের মূল চালিকাশক্তি। তারা ঝোপঝাড় খেত, চলার পথে গাছপালা মাড়িয়ে দিত, মাটিতে সার যোগ করত এবং এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় বীজ ছড়িয়ে দিত। কিন্তু নাবিকদের নির্বিচার শিকার, ডিম সংগ্রহ এবং পরে ছাগল ও শূকরের মতো বহিরাগত প্রাণীর আগমনে কচ্ছপের সংখ্যা ভয়াবহভাবে কমে যায়। কিছু দ্বীপে তারা পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে পড়ে। এর ফল শুধু একটি প্রজাতির হারিয়ে যাওয়া নয়, বরং গোটা পরিবেশব্যবস্থার ভারসাম্য নষ্ট হওয়া।
প্রায় দেড়শো বছর ধরে বড় তৃণভোজী প্রাণী না থাকায় ঝোপঝাড় অস্বাভাবিকভাবে ঘন হয়ে ওঠে, আগাছা ছড়িয়ে পড়ে এবং বহু দেশজ উদ্ভিদের বীজ ছড়ানোর স্বাভাবিক প্রক্রিয়া থমকে যায়।

এই অবস্থার বদল আনতে ১৯৯০-এর দশক থেকে গ্যালাপাগোস ন্যাশনাল পার্ক ও গ্যালাপাগোস কনজারভ্যান্সি শুরু করে এক বৃহৎ পুনঃপ্রবর্তন প্রকল্প। সংরক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে কচ্ছপের বংশবৃদ্ধি করা হয় এবং ধীরে ধীরে একাধিক দ্বীপে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রায় ১,৫০০-এর বেশি দৈত্যাকার কচ্ছপ আবার ফিরে আসে তাদের স্বাভাবিক আবাসে।
ফিরে আসার পর কচ্ছপগুলো শুধু টিকে থাকেনি, বরং আবার তাদের পুরনো ভূমিকা নিতে শুরু করেছে। তারা ঝোপঝাড় খেয়ে ও মাড়িয়ে আগাছার দাপট কমাচ্ছে, খোলা জায়গা তৈরি করছে এবং ছোট প্রাণীদের চলাচলের পথ খুলে দিচ্ছে। বিশেষ করে এস্পানিওলা দ্বীপে, যেখানে আগাছা দেশজ উদ্ভিদকে কোণঠাসা করে ফেলেছিল, সেখানে কচ্ছপের উপস্থিতিতে উদ্ভিদবিন্যাস আবার আগের মতো খণ্ড খণ্ড ও বৈচিত্র্যময় হয়ে উঠছে।
কচ্ছপরা বীজ ছড়ানোর কাজেও অনন্য। তারা ফলসহ বীজ গিলে ফেলে বহু কিলোমিটার দূরে নিয়ে যায় এবং মলত্যাগের মাধ্যমে পুষ্টিসমৃদ্ধ মাটিতে তা ফেলছে। এর ফলে ক্যাকটাস, দেশজ গাছ ও স্কেলেসিয়া প্রজাতির মতো উদ্ভিদ আবার নতুন এলাকায় জন্ম নিচ্ছে। গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, যেসব জায়গায় বহু বছর কোনো চারা দেখা যায়নি, সেখানে নতুন গাছ উঠছে কচ্ছপের চলার পথ ধরে।
এই সব মিলিয়ে বিজ্ঞানীরা এখন কচ্ছপকে বলছেন ‘ইকোসিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার’। বিভার যেমন বাঁধ বানিয়ে নদীর চরিত্র বদলে দেয়, তেমনি কচ্ছপ গ্যালাপাগোসের ভূদৃশ্য নতুন করে গড়ে তুলছে। তাদের উপস্থিতিতে পাখি, সরীসৃপ ও কীটপতঙ্গের বৈচিত্র্যও বাড়ছে।
তবে চ্যালেঞ্জ পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। জলবায়ু পরিবর্তন, নতুন আগাছার আগমন এবং অতিরিক্ত কচ্ছপের চাপ—সবকিছুর দিকেই নজর রাখতে হচ্ছে বিজ্ঞানীদের। তবু গ্যালাপাগোস দেখিয়ে দিয়েছে, প্রকৃতির ক্ষত নিরাময় করতে প্রকৃতির উপরই ভরসা করা উচিত ।
পাহাড়, নদী আর কমলা লেবুর ছোঁয়ায় সিতং—লম্বা ছুটিতে ঘুরে আসার জন্য আদর্শ ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম।
চেক বাউন্স হলে আইনি নোটিস থেকে শুরু করে মামলা জরিমানা এমনকি জেল পর্যন্ত হতে পারে
দীর্ঘ ই-মেলের সারাংশ এক নজরে দেখিয়ে পড়ার সময় ও ঝামেলা দুটোই কমাবে
গ্রিনল্যান্ডকে ঘিরে উত্তেজনা
ইজরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ বিশ্বের অন্যতম দক্ষ ও ভয়ংকর গোপন অভিযানের জন্য পরিচিত
প্রায় ৫০০ বিঘা বিস্তৃত এই বন একসময় জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম বনাঞ্চল হিসেবে পরিচিত ছিল
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে যুক্ত হওয়া পাকিস্তানের তৈরি জে এফ–১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান ভারতের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে কৌশলগত মহলে শুরু হয়েছে আলোচনা
সময়ের মধ্যে আবেদন করে শিক্ষাবৃত্তির সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন শিক্ষা দফতর
স্মার্টফোন থেকে ল্যাপটপ পর্যন্ত নানা পণ্যে মিলবে বিশেষ ছাড়, জেনে নিন শুরুর দিন
বঙ্গোপসাগরে কৌশলগত শক্তি বাড়াতে হলদিয়াকে কেন্দ্র করে নৌবাহিনীর নিরাপত্তা ও পরিকাঠামো জোরদার করার বড় উদ্যোগ
জোমাটো সিইও দীপিন্দর গোয়ালের কপালে দেখা ভাইরাল ‘যন্ত্র’টি আসলে একটি আধুনিক হেলথ-টেক ডিভাইস, যা মস্তিষ্কের রক্তপ্রবাহ ও মানসিক চাপ পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হয়
১৯ জন বৌদ্ধভিক্ষুকের শান্তি পদযাত্রার সঙ্গী আলোকা
প্রতিকূলতার মধ্যেও অবিচল লাল্টু চিত্রকর , কণ্ঠে সুর সঙ্গে তুলির টান, ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা
স্নানঘরে একা নয় সঙ্গীকে নিন
চিনাবাদাম খাওয়া বাড়াতে পারে কিডনি স্টোন এবং ইউরিক অ্যাসিড
ভারতীয় নাগরিকদের সতর্কবার্তা দূতাবাসের
পরিবারের সঙ্গে মাত্র ১০ মিনিট দেখা করার অনুমতি
সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল ভিডিও
‘নো বোট নো ভোট’
নিউ ইয়র্কের জেলে বন্দি মাদুরো