নিজস্ব প্রতিনিধি , কোপেনহেগেন - বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড ঘিরে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক উত্তেজনা আবারও আলোচনায় এনেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—ডেনমার্ক কি আদৌ গ্রিনল্যান্ড রক্ষা করতে পারবে, যদি যুক্তরাষ্ট্রের মতো সামরিক পরাশক্তির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘাত তৈরি হয়? সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড “অধিগ্রহণ” সংক্রান্ত মন্তব্য কেবল রাজনৈতিক বিতর্কই নয়, বরং নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে।

গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্ক রাজ্যের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হলেও এর ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত কৌশলগত। উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের মাঝখানে অবস্থিত এই দ্বীপ আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা, ক্ষেপণাস্ত্র সতর্কতা ব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ খনিজ সম্পদের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। এই কারণেই যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই গ্রিনল্যান্ডে আগ্রহী।
সামরিক শক্তির নিরিখে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্রের তুলনা কার্যত অসম। গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার সূচকে ২০২৫ সালের হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের এক নম্বর সামরিক শক্তি, যেখানে ডেনমার্কের অবস্থান ৪৫ নম্বরে। ডেনমার্কের সামরিক শক্তির সূচক যেখানে সীমিত সক্ষমতার ইঙ্গিত দেয়, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সূচক তার বিশাল সামরিক আধিপত্যকে তুলে ধরে।
জনসংখ্যা ও মানবসম্পদের দিক থেকেও পার্থক্য বিপুল। ডেনমার্কের জনসংখ্যা ছয় মিলিয়নেরও কম, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা ৩৪ কোটির বেশি। সক্রিয় সেনা সদস্যের সংখ্যায় ডেনমার্কের রয়েছে প্রায় ২০ হাজার সৈন্য, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় সেনা সংখ্যা ১৩ লক্ষেরও বেশি। রিজার্ভ ও প্যারামিলিটারি শক্তিতেও যুক্তরাষ্ট্র বহু গুণ এগিয়ে।
প্রতিরক্ষা বাজেটের হিসাব এই ব্যবধানকে আরও স্পষ্ট করে। ডেনমার্ক বছরে যেখানে প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার প্রতিরক্ষায় ব্যয় করে, সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাজেট প্রায় ৯০০ বিলিয়ন ডলার। এই অর্থনৈতিক সক্ষমতাই যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বজুড়ে সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখতে সাহায্য করে।
আকাশ, স্থল ও নৌ—তিন ক্ষেত্রেই যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য স্পষ্ট। ডেনমার্কের সীমিত সংখ্যক যুদ্ধবিমান, ট্যাঙ্ক ও নৌযানের বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে হাজার হাজার যুদ্ধবিমান, শত শত ট্যাঙ্কবহর ও বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী নৌবহর। ডেনমার্কের কোনো বিমানবাহী রণতরী বা সাবমেরিন নেই, যা আধুনিক যুদ্ধে বড় সীমাবদ্ধতা।
তবুও ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা নীতিতে গ্রিনল্যান্ডকে কেন্দ্র করে একটি কঠোর অবস্থান রয়েছে। ১৯৫২ সাল থেকে কার্যকর একটি নির্দেশ অনুযায়ী, ডেনিশ ভূখণ্ডে আক্রমণ হলে সেনাদের ‘শুট ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণের অনুমতি রয়েছে। তবে বাস্তবে এই নীতি মূলত প্রতীকী এবং রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার জন্যই বেশি ব্যবহৃত।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র দু’দেশই ন্যাটোর সদস্য। গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিমধ্যেই সামরিক উপস্থিতি রয়েছে পিটুফিক এয়ার বেসের মাধ্যমে, যা পারস্পরিক সহযোগিতারই প্রতিফলন। তাই সামরিক সংঘাতের সম্ভাবনা বাস্তবের তুলনায় রাজনৈতিক কথাবার্তাতেই সীমাবদ্ধ।
পাহাড়, নদী আর কমলা লেবুর ছোঁয়ায় সিতং—লম্বা ছুটিতে ঘুরে আসার জন্য আদর্শ ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম।
চেক বাউন্স হলে আইনি নোটিস থেকে শুরু করে মামলা জরিমানা এমনকি জেল পর্যন্ত হতে পারে
গ্যালাপাগোস জায়ান্টদের ফিরে আসার গল্প
দীর্ঘ ই-মেলের সারাংশ এক নজরে দেখিয়ে পড়ার সময় ও ঝামেলা দুটোই কমাবে
ইজরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ বিশ্বের অন্যতম দক্ষ ও ভয়ংকর গোপন অভিযানের জন্য পরিচিত
প্রায় ৫০০ বিঘা বিস্তৃত এই বন একসময় জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম বনাঞ্চল হিসেবে পরিচিত ছিল
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে যুক্ত হওয়া পাকিস্তানের তৈরি জে এফ–১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান ভারতের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে কৌশলগত মহলে শুরু হয়েছে আলোচনা
সময়ের মধ্যে আবেদন করে শিক্ষাবৃত্তির সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন শিক্ষা দফতর
স্মার্টফোন থেকে ল্যাপটপ পর্যন্ত নানা পণ্যে মিলবে বিশেষ ছাড়, জেনে নিন শুরুর দিন
বঙ্গোপসাগরে কৌশলগত শক্তি বাড়াতে হলদিয়াকে কেন্দ্র করে নৌবাহিনীর নিরাপত্তা ও পরিকাঠামো জোরদার করার বড় উদ্যোগ
জোমাটো সিইও দীপিন্দর গোয়ালের কপালে দেখা ভাইরাল ‘যন্ত্র’টি আসলে একটি আধুনিক হেলথ-টেক ডিভাইস, যা মস্তিষ্কের রক্তপ্রবাহ ও মানসিক চাপ পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হয়
১৯ জন বৌদ্ধভিক্ষুকের শান্তি পদযাত্রার সঙ্গী আলোকা
প্রতিকূলতার মধ্যেও অবিচল লাল্টু চিত্রকর , কণ্ঠে সুর সঙ্গে তুলির টান, ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা
স্নানঘরে একা নয় সঙ্গীকে নিন
চিনাবাদাম খাওয়া বাড়াতে পারে কিডনি স্টোন এবং ইউরিক অ্যাসিড
ভারতীয় নাগরিকদের সতর্কবার্তা দূতাবাসের
পরিবারের সঙ্গে মাত্র ১০ মিনিট দেখা করার অনুমতি
সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল ভিডিও
‘নো বোট নো ভোট’
নিউ ইয়র্কের জেলে বন্দি মাদুরো