নিজস্ব প্রতিনিধি , জলপাইগুড়ি - কিছুদিন আগেই বন্যায় তছনছ হয়ে যায় উত্তরবঙ্গ। ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পরে সেখানকার জনজীবন। অভিযোগ , এরপর আশেপাশের বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ হলেও , ত্রাণ দেওয়া হয়না কুর্শামারী গ্রামকে। সেখানকার বাসিন্দারা দাবি করেন , ওই এলাকায় বিজেপির জয়ের জন্যই ত্রাণ পাচ্ছেন না তারা।
সূত্রের খবর , ধুপগুড়ির গোধেয়ার কুঠি অঞ্চলের কুর্শামারী গ্রামে গত শনিবারের আকস্মিক বন্যায় তছনছ হয়ে গিয়েছে গোটা জনজীবন। চারদিকে জলমগ্ন এলাকা , নষ্ট হয়ে গিয়েছে ঘরবাড়ি , ফসল , সহ বহু মানুষের সহায় - সম্বল। কিন্তু প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের থেকেও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে মানবসৃষ্ট এক দুর্যোগ - রাজনৈতিক বৈষম্য।

স্থানীয়দের অভিযোগ , আশপাশের বন্যা কবলিত এলাকায় যেখানে জোরকদমে চলছে ত্রাণ বিতরণ , সেখানে কুর্শামারী যেন একেবারেই অচ্ছুৎ হয়ে পড়েছে। পানীয় জল , শুকনো খাবার , ওষুধ , কোনও কিছুই মেলেনি ঠিকমতো। অথচ রাজনীতিবিদদের গাড়ির ধুলো উড়িয়ে যাওয়া ছাড়া আর কিছুই দেখেননি এই গ্রামের মানুষ। এই গ্রামের বাসিন্দারা শেষ পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীকে সমর্থন করেছিলেন। স্থানীয়দের দাবি , এর জেরেই সরকারি ত্রাণ থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে তাদের।

বন্যা পরবর্তী পরিস্থিতিতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী। এখন দেখার বিষয় , প্রকৃত দুর্যোগের মুহূর্তে এই গ্রাম আদৌ কোনও সহানুভূতি ও সাহায্য পায় কি না। নাকি রাজনৈতিক রঙেই ঢেকে যাবে কুর্শামারীর আর্জি।

স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য প্রসেনজিৎ মণ্ডল এপ্রসঙ্গে জানান , "কুর্শামারী গ্রামে মানুষের অবস্থা খুবই আশংকাজনক। এই দুর্দিনে রাজনীতির হিসেব কষে যদি ত্রাণ বন্ধ থাকে , তাহলে মানুষ কোথায় যাবে? শুধু আমাদের গ্রামকেই বাদ দেওয়া হয়েছে , অথচ পাশের গ্রামগুলোতে চলছে ত্রাণের বন্যা।"
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়