নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - ভোটের আগে দেওয়াল লেখা ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল মধ্যমগ্রাম বিধানসভা এলাকা। মুখোমুখি তৃণমূল ও আইএসএফ কর্মী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। ঘটনায় দুই পক্ষের একাধিক কর্মী আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।
ভোটের ময়দানে জোর কদমে নেমে পড়েছে প্রতিটি রাজনৈতিক দল। নির্বাচনী প্রচারের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যেই একাধিক এলাকায় শুরু হয়ে গেছে দেওয়াল লিখন। আর এই লিখনকে কেন্দ্র করে এবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল মধ্যমগ্রাম এলাকা। অভিযোগ, যে দেওয়ালে আগে আইএসএফ দেওয়াল লিখেছিল সেই দেওয়ালেই এদিন তৃণমূল কর্মীরা রঙ করছিলেন। সেই সময় আচমকাই আইএসএফ কর্মীরা বাঁশ, লাঠি, দা ও কুড়োল নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ তৃণমূলের।
মুহূর্তের মধ্যেই দুপক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘটনায় স্থানীয় তৃণমূল বুথ সভাপতি-সহ অন্তত ৫ জন কর্মী আহত হন। আহতদের প্রথমে মধ্যমগ্রাম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বিষয়টি জানানো হয় মধ্যমগ্রাম থানাকে। তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, ' যে দেওয়ালে আগের বার আইএসএফ লিখেছিল সেই দেওয়ালে এবার আমরা আগের থেকে চুন করে দেওয়াল লিখন শুরু করছিলাম। সেই সময় হঠাৎই ওদের আইএসএফের এক নেতা এসে আমাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে।'
তৃণমূল কর্মীদের আরও অভিযোগ, ' ঝামেলা যাতে না হয় সেই কারণে আমরা কথা বলে বিষয়টা মিটিয়ে নিচ্ছিলাম হঠাৎ করেই ওদের দলবল দা, ছুরি নিয়ে এসে আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমাদের বেশ কয়েকজন লোক আহত হয়েছে। আমরা চাই প্রশাসন যেন এর উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়।'
অন্যদিকে, আইএসএফ কর্মীদের অভিযোগ, ' আমাদের এখানে আইএসএফের যে কটা দেওয়াল ছিল সেই সবকটা দেওয়াল তৃণমূল জোরজবরদস্তি দখল করে নেয়। আমরা যখন বলতে যাই কয়েকটা দেওয়াল ছেড়ে দেওয়ার জন্য তখন ওরা ৫০ জন লোক নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। লাঠি, বাঁশ দিয়ে মারে আমাদের লোকজনকে। শুধু তাই না এখানে লোকজনের বাড়িতেও হামলা চালায়। আমরা চাই ভবিষ্যতে যেন এই ধরনের মারধরের ঘটনা না ঘটে।' পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই দুই পক্ষের তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়