নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা – বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই গণহত্যা মামলার রায়দান চলছে। ছাত্রহত্যার ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে হাসিনাকে চিহ্নিত করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মৃত্যুদণ্ড নাকি যাবজ্জীবন! তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।
রায়দানের সময়ে বিচারপতি জানান, “আন্দোলনকারীদের রাজাকার বলে ছিলেন হাসিনা, সেটা হিংসায় উসকানি জুগিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী পদে থেকে অপরাধ ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। বিক্ষোভ দমন করতে আগ্নেয়াস্ত্র এবং হেলিকপ্টার মোতায়েন করেছিল হাসিনা সরকার। প্রতিবাদীদের ওপর অস্ত্র প্রয়োগ করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাসিনা। কুর্সি ধরে রাখতে নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করেছেন। অপরাধ করেও ক্ষমা চাননি, বরং ট্রাইবুনালের সদস্যদের ভয় দেখিয়ে গিয়েছেন তিনি।“
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি আরও বলেন, “রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডে শেখ হাসিনা সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে যে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল, তা সত্য। এমনকি ময়নাতদন্তের রিপোর্ট নিয়েও চিকিৎসককে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। আশুলিয়া এবং চাঁখারপুলে ছাত্রদের হত্যার নেপথ্যে ভূমিকা রয়েছে হাসিনার। তাঁর নির্দেশে মৃতদেহ পুড়িয়ে দিয়েছিল পুলিশ।“
অশান্ত মধ্যপ্রাচ্যের আঁচ গোটা বিশ্বে
তেজস্ক্রিয় বিকিরণ নিয়ে শঙ্কা
মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে
ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার আমেরিকার
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যুদ্ধ
নিজেদের বিমানকেই আক্রমণ
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ দালাল স্ট্রিটে
উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর
অপারেশন সিঁদুরে ধ্বংস হয়েছিল পাকিস্তানের বিমানঘাঁটি
ঘাত-প্রত্যাঘাত চলছে পশ্চিম এশিয়ায়
প্রতি মুহূর্তে বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
লেবানন জুড়ে হামলা ইজরায়েলের
খামেনেইয়ের মৃত্যুর বদলা নিতে মরিয়া তেহরান
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আঁধার
হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর