নিজস্ব প্রতিনিধি , হলদিয়া - ভারতীয় নৌবাহিনী পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়ায় একটি নতুন নৌঘাঁটি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে, যা বঙ্গোপসাগরে ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও নজরদারি ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে পূর্ব উপকূলে নৌবাহিনীর অপারেশনাল উপস্থিতি বাড়ানোর পাশাপাশি দ্রুত প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা উন্নত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

হুগলি নদীর তীরে, হালদি নদীর সঙ্গে সংযোগস্থলের কাছে অবস্থিত হলদিয়া ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্র অঞ্চল স্যান্ডহেডস থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরে। ১৯৭০-এর দশক থেকে কার্যকর থাকা হলদিয়া ডক কমপ্লেক্স ইতিমধ্যেই বাল্ক কার্গো পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র এবং বড় আকারের জাহাজ ডক করতে সক্ষম। এই বিদ্যমান পরিকাঠামোই নৌঘাঁটি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বড় সুবিধা দিচ্ছে।
নতুন এই নৌঘাঁটি মূলত ছোট ও দ্রুতগামী যুদ্ধজাহাজের জন্য ব্যবহৃত হবে। এর মধ্যে ফাস্ট ইন্টারসেপ্টর ক্রাফট এবং নিউ ওয়াটার জেট ফাস্ট অ্যাটাক ক্রাফট অন্তর্ভুক্ত থাকবে। উপকূলীয় নিরাপত্তা, জলদস্যু দমন, চোরাচালান রোধ এবং সামুদ্রিক নজরদারিতে এই জাহাজগুলি দ্রুত মোতায়েন করা সম্ভব হবে।
বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে অতিরিক্ত আঞ্চলিক শক্তির নৌতৎপরতা বেড়েছে। নিয়মিতভাবে শতাধিক বিদেশি যুদ্ধজাহাজ এই জলপথে চলাচল করছে বলে প্রতিরক্ষা সূত্রের দাবি। এই প্রেক্ষাপটে হলদিয়ার মতো একটি ফরোয়ার্ড নৌঘাঁটি ভারতকে কৌশলগত সুবিধা দেবে এবং সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
এই ঘাঁটি পূর্ব উপকূলে থাকা INS চিলকা এবং আন্দামান ও নিকোবর কমান্ডের সঙ্গে সমন্বয় আরও মজবুত করবে। বিশেষত মালাক্কা প্রণালীর দিকে যাতায়াতকারী জাহাজ চলাচলের উপর নজরদারিতে হলদিয়ার অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই প্রণালী বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান চোকপয়েন্ট।
২০১৮ সালে হলদিয়ায় বার্জ পরিচালনার জন্য ভাসমান জেটি চালু হয়েছিল, যা এখন নৌবাহিনীর লজিস্টিক সাপোর্টে কাজে লাগানো যেতে পারে। পাশাপাশি এই নৌঘাঁটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা, ত্রাণ ও উদ্ধার এবং নন-কমব্যাট্যান্ট ইভাকুয়েশন অপারেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
স্থানীয় অর্থনীতির দিক থেকেও এই প্রকল্প ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। রক্ষণাবেক্ষণ, সরবরাহ ও সহায়ক পরিষেবা খাতে নতুন কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরি হবে। তবে হুগলি মোহনার পরিবেশ ও মৎস্যজীবীদের জীবিকায় প্রভাব যাতে না পড়ে, সে বিষয়েও সতর্ক নজর রাখা হবে।
সব মিলিয়ে, হলদিয়ায় নতুন নৌঘাঁটি স্থাপন ভারতের সামুদ্রিক কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় নৌবাহিনীর ক্ষমতা আরও বাড়াবে।
কিন্তু চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় তৈরি হয়েছে এক বিরাট ঘাটতি
আগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই এই অত্যাধুনিক সাবমেরিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন হতে পারে
মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মধ্যে তাৎক্ষণিক অর্থ লেনদেনকে সহজ নিরাপদ ও একক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর