নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - বিটকয়েন হলো একটি ডিজিটাল বা ভার্চুয়াল মুদ্রা (Cryptocurrency), যা সম্পূর্ণভাবে অনলাইনভিত্তিক এবং কোনো সরকার, ব্যাংক বা কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। এটি পিয়ার-টু-পিয়ার (Peer-to-Peer) প্রযুক্তির মাধ্যমে কাজ করে, অর্থাৎ কোনো মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির কাছে সরাসরি লেনদেন করা যায়। বিটকয়েনের মূল ভিত্তি হলো ‘ব্লকচেইন প্রযুক্তি’, যেখানে সব লেনদেন স্বচ্ছ ও নিরাপদভাবে সংরক্ষিত থাকে।

বিটকয়েন কাগজের টাকা বা কয়েনের মতো দৃশ্যমান নয়। এটি একটি ডিজিটাল ওয়ালেটে সংরক্ষণ করা হয় এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে পাঠানো যায়। সীমিত সরবরাহ বিটকয়েনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য—সর্বোচ্চ ২ কোটি ১০ লক্ষ বিটকয়েন কখনোই অতিক্রম করবে না। এই সীমাবদ্ধতা একে মূল্যবান করে তোলে এবং মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি কমায়।

যেভাবে শুরু হল - বিটকয়েনের ইতিহাস শুরু হয় ২০০৮ সালে , যখন “সাতোশি নাকামোতো” নামের একজন রহস্যময় ব্যক্তি বা গোষ্ঠী একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন, যার শিরোনাম ছিল “Bitcoin: A Peer-to-Peer Electronic Cash System” । এতে প্রথমবারের মতো একটি বিকেন্দ্রীভূত ডিজিটাল মুদ্রার ধারণা উপস্থাপন করা হয়।

২০০৯ সালে বিটকয়েন নেটওয়ার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় এবং প্রথম ব্লক, যাকে “জেনেসিস ব্লক” বলা হয়, মাইন করা হয়। সেই সময় বিটকয়েনের কোনো বাজারমূল্য ছিল না। প্রথম বাস্তব লেনদেন ঘটে ২০১০ সালে , যখন একজন প্রোগ্রামার ১০,০০০ বিটকয়েন দিয়ে দুটি পিজা কিনেছিলেন—যা আজ “Bitcoin Pizza Day” নামে পরিচিত।

পরবর্তী কয়েক বছরে বিটকয়েন ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা অর্জন করে। ২০১৩ সালের পর বিভিন্ন অনলাইন ব্যবসা ও বিনিয়োগকারীরা বিটকয়েন গ্রহণ শুরু করে। এর দাম কখনো দ্রুত বেড়েছে, আবার কখনো বড় পতন ঘটেছে—ফলে এটি একটি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ কিন্তু সম্ভাবনাময় সম্পদ হিসেবে পরিচিতি পায়।

২০২০–২০২১ সালে বড় বড় কোম্পানি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কারণে বিটকয়েনের দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশ বিটকয়েনকে বৈধ বা অবৈধ ঘোষণা নিয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করে।
বিটকয়েন শুধু একটি ডিজিটাল মুদ্রাই নয়, এটি আর্থিক ব্যবস্থায় একটি বিপ্লবী ধারণা। যদিও এর দাম অস্থির এবং ঝুঁকি রয়েছে, তবুও বিটকয়েন আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ভবিষ্যতে এটি কীভাবে বিশ্ব অর্থনীতিকে প্রভাবিত করবে, তা সময়ই বলে দেবে।
কিন্তু চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় তৈরি হয়েছে এক বিরাট ঘাটতি
আগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই এই অত্যাধুনিক সাবমেরিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন হতে পারে
মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মধ্যে তাৎক্ষণিক অর্থ লেনদেনকে সহজ নিরাপদ ও একক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর