নিজস্ব প্রতিনিধি, ওয়াশিংটন - বিরল খনিজকে কেন্দ্র করে চীন-আমেরিকার মধ্যে চরমে উঠেছে সংঘাত। আগেই চীনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে মার্কিন প্রশাসন। এরপরই বিরল খনিজে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে চীন। এই আবহে ‘বন্ধু’ ভারত সহ ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলিকে পাশে চাইছে আমেরিকা।
এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন অর্থসচিব স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, “চীনের তরফে বিরল খনিজ রফতানি নিয়ন্ত্রণ বিশ্ব অর্থনীতির উপর উপর বিরাট ধাক্কা। এই লড়াই চীন বনাম সমগ্র বিশ্বের। রফতানি নিয়ন্ত্রণ আগামী মাস থেকে কার্যকর করতে চলেছে ওরা। আমরা জানি না কেন এই পদক্ষেপ করছে ওরা। তবে এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করছি আমরা।“
তিনি আরও বলেছেন, “চীনের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে পদক্ষেপ করার জন্য আমেরিকা ইতিমধ্যেই ভারত, ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। এই লড়াইকে সকলকে পাশে চাইছে আমেরিকা।“ গত ৯ অক্টোবর চীনের তরফে জারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, ০.১ শতাংশের বেশি বিরল খনিজ পদার্থ রয়েছে এমন পণ্য রফতানি করতে গেলে সরকারের অনুমতি নিতে হবে। বিদেশী সামরিক ব্যবহারের জন্য বিরল খনিজ রফতানি করা যাবে না। এতেই মাথায় হাত পড়েছে আমেরিকার।
তেজস্ক্রিয় বিকিরণ নিয়ে শঙ্কা
মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে
ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার আমেরিকার
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যুদ্ধ
নিজেদের বিমানকেই আক্রমণ
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ দালাল স্ট্রিটে
উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর
অপারেশন সিঁদুরে ধ্বংস হয়েছিল পাকিস্তানের বিমানঘাঁটি
ঘাত-প্রত্যাঘাত চলছে পশ্চিম এশিয়ায়
প্রতি মুহূর্তে বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
লেবানন জুড়ে হামলা ইজরায়েলের
খামেনেইয়ের মৃত্যুর বদলা নিতে মরিয়া তেহরান
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আঁধার
হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে নিরাপত্তারক্ষীরা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর