নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - ভোটের দিনেই সাধারণ মানুষের বাড়ি-গাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের বিরুদ্ধে। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কোতুলপুর এলাকায়। খবর পেয়েই সেখানে পৌঁছান তৃণমূল প্রার্থী। সামরিক কর্মীদের এই অতিসক্রিয়তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তাপ বেড়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভোট চলাকালীন কয়েকজন যুবক বুথের বাইরে বসে ছিল। এমন সময় ৬-৭ জন জওয়ান তাদের তাড়া করে বসতভিটার দিকে নিয়ে আসে। এরপর ওই পল্লিতে ঢুকে কিছু বাড়ি ও বাইক ভাঙচুর করা হয় বলে সরব হয়েছেন গ্রামবাসীরা। এই আবহেই প্রশাসনের একাংশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন আমজনতা।
ভুক্তভোগীদের বক্তব্য, শুধু মারধরই নয়, সংশ্লিষ্ট ছেলেরা সেখানে ফিরলে ঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, প্রতিবাদ করায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দাবি করেছে যে তাদের কাছে এই ধরণের কাজের সবরকম অনুমতি রয়েছে। শাসকদলের সমর্থক হওয়ার কারণেই তাদের লক্ষ্য করা হয়েছে বলে সরব হয়েছে ঘাসফুল শিবির। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ওই অঞ্চলে মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।
সন্ধ্যা ৬ টার পরেও ভোটারদের লাইনে দেখা যায়
আসানসোল উত্তর বিধানসভার একটি বুথে ভোট দিলেন তিনি
প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধাকে মারধরের অভিযোগ জওয়ানের বিরুদ্ধে
অফিসারদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ কমিশনের
যদিও এই বিষয়ে ঘাসফুল শিবিরের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি
নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় রক্ষক নিজেই আহত
পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় প্রশাসন
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে স্বভাবতই সরব হয়েছে ঘাসফুল শিবির
পুলিশের সামনেই চলে বেধড়ক মারধর
থানায় অভিযোগ দায়ের বিজেপির
বিকেল ৫ টায় ভোট দেবেন নন্দলাল বসুর নাতি ও তার স্ত্রী
ভোটের দিনেই এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে দিনহাটার রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে
প্রকৃত সত্য ব্যাখ্যা করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছেন তিনি
ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়
পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় প্রশাসন
বিকেল ৪টের পর থেকে সক্রিয় হতে পারে দুষ্কৃতীরা
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে স্বভাবতই সরব হয়েছে ঘাসফুল শিবির
পুলিশের সামনেই চলে বেধড়ক মারধর
থানায় অভিযোগ দায়ের বিজেপির