নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - আকাশে যত কার্গো বিমান উড়ে বেড়াক, তাদের সবার উপরে রাজকীয় মর্যাদায় স্থান করে নিয়েছিল আন্তনভ এএন – ২২৫ ম্রিয়া (Antonov An-225 Mriya)। ‘ম্রিয়া’ একটি ইউক্রেনীয় শব্দ, যার অর্থ স্বপ্ন। এই বিমানটিকে দেখলে সত্যিই মনে হয় মানবজাতি যেন তার অসম্ভব এক স্বপ্নকে বাস্তবের রূপ দিয়েছে। ১৯৮০ দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নের মহাকাশ কর্মসূচির জন্য নির্মিত হয় ছয় ইঞ্জিনের এই বিমান।
ম্রিয়ার কাজ ছিল বুরান স্পেস শাটলসহ বিশাল আকারের মহাকাশযন্ত্র যা অতিমাত্রার ভারী মালামাল পরিবহনে সক্ষম। বিশ্বের ইতিহাসে এত বড়, এতটা ভার বহনকারী কৃত্রিমবিমান আগে কখনও তৈরি হয়নি। ৮৪ মিটার দীর্ঘ দেহ, প্রায় ৮৮ মিটারের ডানার বিস্তার যা একটি ফুটবল মাঠের চেয়েও বড়। আর বহনক্ষমতা প্রায় ২৫০ টন পর্যন্ত!
ম্রিয়ার অন্যতম বিশেষত্ব ছিল এর বিরাট নোজ ডোর। যেসব ওভারসাইজ কার্গো সাধারণ বিমানে তোলা যায় না, সেগুলোই ছিল ম্রিয়ার জন্য নিত্যদিনের কাজ। আন্তর্জাতিক পরিবহনে বিশাল যন্ত্রপাতি পাঠাতে ম্রিয়ার ভূমিকা অপরিসীম। ২০০০ সাল থেকে বিমানটি মানবিক সহায়তার জগতে অতুলনীয় ভূমিকা রাখে। বিশ্বের নানা দেশে ভূমিকম্প, বন্যা বা জরুরি পরিস্থিতিতে বিপুল পরিমাণ খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা উপকরণ পৌঁছাতে এটি হয়ে ওঠে অপরিহার্য। ২০২২ সালে ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধের সময় গোস্তোমেল বিমানবন্দরে ম্রিয়া ধ্বংস হয়ে যায়—যা ছিল সমগ্র বিশ্বের বিমানপ্রেমীদের জন্য এক গভীর আঘাত। আকাশের বুকে সে ছিল সত্যিকারের এক দৈত্য, এক অনন্য কিংবদন্তি।
পুজোর ছুটিতে কম সময়ে পাহাড় ভ্রমণের পরিকল্পনা
কুয়াশা-জঙ্গলে আজও তাড়া করে রহস্যময় মুণ্ডহীন ছায়া
মন্দিরের পাশাপাশি জুট-টেক্সটাইল মিল গড়ার ভাবনা
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের