নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা – মঙ্গলবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন এবং বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তাঁর শাসনকালেই বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হয়েছিল তসলিমা নাসরিনের একাধিক বই। এমনকি দেশ থেকে তাঁকে বিতাড়িত করা হয়েছিল। খালেদার মৃত্যুর পরই তসলিমার প্রশ্ন, “আমার কি ৩১ বছরের নির্বাসনদণ্ডের সমাপ্তি ঘটাবে?”
সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তসলিমা লিখেছেন, “খালেদা জিয়া তো মারা গেলেন। ৮০ বছর বয়স হয়েছিল। গৃহবধু থেকে পার্টি-প্রধান হয়েছেন, ১০ বছর দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। সফল একটি জীবন কাটিয়েছেন। দীর্ঘ একটি জীবন। শেখ হাসিনা তাঁকে দু’বছর জেলের ভেতরে রেখেছিলেন, সেই সময় ছাড়া ৮১ সালের পর থেকে তাঁর দুর্ভোগ বলতে কিছু ছিল বলে আমার মনে হয় না। অসুখ বিসুখের কষ্ট সবারই থাকে, তাঁরও ছিল।“
তিনি আরও লিখেছেন, “তিনি আমার লজ্জা ব্যান করেছিলেন ১৯৯৩ সালে। উতল হাওয়া ব্যান করেছিলেন ২০০২ সালে। ক ব্যান করেছিলেন ২০০৩ সালে। সেই সব অন্ধকার ব্যান করেছিলেন ২০০৪ সালে। বেঁচে থাকাকালীন তিনি তো বাকস্বাধীনতার পক্ষে দাঁড়িয়ে বইগুলো থেকে ব্যান উঠিয়ে যাননি। তাঁর মৃত্যুই যদি বাকস্বাধীনতাকে এখন রক্ষা করে। তিনি তো ১৯৯৪ সালে একজন ধর্মনিরপেক্ষ, মানবতাবাদী, নারীবাদী, মুক্তচিন্তক লেখকের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার মামলা করে জেহাদিদের পক্ষ নিয়েছিলেন। লেখকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন।“
অশান্ত মধ্যপ্রাচ্যের আঁচ গোটা বিশ্বে
তেজস্ক্রিয় বিকিরণ নিয়ে শঙ্কা
মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে
ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার আমেরিকার
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যুদ্ধ
নিজেদের বিমানকেই আক্রমণ
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ দালাল স্ট্রিটে
উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর
অপারেশন সিঁদুরে ধ্বংস হয়েছিল পাকিস্তানের বিমানঘাঁটি
ঘাত-প্রত্যাঘাত চলছে পশ্চিম এশিয়ায়
প্রতি মুহূর্তে বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
লেবানন জুড়ে হামলা ইজরায়েলের
খামেনেইয়ের মৃত্যুর বদলা নিতে মরিয়া তেহরান
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আঁধার
হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর