নিজস্ব প্রতিনিধি , তেহরান - শান্তি বৈঠকের নামে ইসলামাবাদে শুধুই নাটক হয়েছে। কোনো পক্ষই কারোর চুক্তিতে রাজি হয়নি। এরপর হরমুজ নিয়ে নিজেদের অবস্থান বজায় রেখেছে ইরান। তবে অন্যদিকে ট্রাম্পের তরফে বলা হয়েছে হরমুজে তারাও অবরোধ চালাবে। যার জেরে একটি চীনা জাহজকে ফিরে যেতে হয়। এরপরই চীনের তরফ থেকে এল ট্রাম্পের জন্য হুমকি বার্তা।
চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডং জুন বলেন , বেজিং ওই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে। পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে নিজেদের জ্বালানি ও বাণিজ্য চুক্তিকে তারা সম্মান করে।তাই কোনওরকম বহিরাগত হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না। স্পষ্ট ভাষায় বেজিং জানিয়েছে , হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। এই জলপথ চীনের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্তই থাকবে।
জ্বালানি সঙ্কট মেটানোর জন্য চীনের কাছে হরমুজ প্রণালী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পথ দিয়েই ৪০ শতাংশ তেল ও ৩০ শতাংশ এনএনজি আমদানি করে বেজিং। ইরানের সমস্ত বন্দর অবরোধ করে রাখায় চীনের জাহাজও আটকে পড়েছে। তাতেই বিপাকে পড়েছে বেজিং। ফলে জ্বালানি সঙ্কট বেড়েছে চীনে।
উল্লেখ্য , ট্রাম্পের হুমকির পাল্টা জবাবে ইরান জানিয়েছে , "ইরানের বন্দরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে মধ্যপ্রাচ্যের একটিও বন্দর নিরাপদ থাকবে না। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরও হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ করবে ইরান। শত্রুপক্ষ বা তাদের কোনও জাহাজকে ইরানের জলসীমা অতিক্রম করতে দেওয়া হবে না।"
সৌদি আরবের সাহায্যে এগিয়ে এল পাকিস্তান, চুক্তি মেনে রিয়াদে মোতায়েন হলো পাক সেনা
খাওয়াদাওয়ার মাঝেই রক্তগঙ্গা! তুরস্কের রেস্তরাঁয় বন্দুকবাজের হামলায় নিহত ৪, আহত ৮
ইরানে বিষ্ণু মন্দিরের ইতিহাস জানালেন অমিতাভ বচ্চন
‘ইন্টারনেটের তারেও এবার ভাড়া দেব’! ট্রাম্পের চিনের সফরের পরেই মার্কিন টেক জায়ান্...
জেলেনস্কির বদলা! ৫০০ ড্রোনের ধাক্কায় কাঁপল মস্কো, এক বছরের বড় হামলায় বিপর্যস্ত র...