নিজস্ব প্রতিনিধি , দার্জিলিং - উত্তরবঙ্গের ব্যস্ততম শহরগুলির মধ্যে হলো অন্যতম শিলিগুড়ি। পশ্চিমবঙ্গের তৃতীয় বৃহত্তম শহর সহ উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার এই শিলিগুড়ি। ঝাঁ চকচকে রাস্তাঘাট, শপিং মল, মাল্টিপ্লেক্স, পর্যটকদের ভিড় সব মিলিয়ে শিলিগুড়ি শহরের আদল এখন সম্পূর্ণ আলাদা। কিন্তু সময় থেকে একটু পিছিয়ে গেলে দেখা যাবে এক সম্পূর্ণ ভিন্ন ছবি। আজ থেকে ৪০-৪৫ বছর আগে কেমন ছিল শিলিগুড়ির চেহারা?
আগে শিলিগুড়ি ছিল শান্ত, নিরিবিলি ও ছোট শহর। হিলকার্ট রোড, সেভেন্থ মাইল, হাশমি চৌক, ব্যাগডোগরা শিলিগুড়ি রোড এই এলাকাগুলি বর্তমানে শিলিগুড়ির প্রাণকেন্দ্র তবে বেশ কয়েক বছর আগে এই জায়গাগুলোতেই জনসংখ্যা, দোকানপাট ছিল অনেক কম। আগে শিলিগুড়ির আবহাওয়াও ছিল অন্যরকম। গরমকালেও বেশ ঠান্ডা ঠান্ডা আবহাওয়া থাকতো শিলিগুড়িতে।
রেলওয়ে-পরিবহণের ছবিও ছিল অন্যরকম। নজরুল সরণি স্টেশন আজকের নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন এত বড় জংশন ছিল না। জলপাইগুড়ি, কোচবিহার আর পাহাড়মুখী ন্যারোগেজ ট্রেনের নিয়মিত যাতায়াতই ছিল সেই সময়ের পরিচিত ছন্দ। ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ছিল সীমিত সুযোগ। তখন হংকং মার্কেট সদ্য জনপ্রিয় হচ্ছে। সেই মার্কেটে বিদেশি রেডিও, ক্যাসেট প্লেয়ার, বা পোশাক পাওয়া যেত অল্পতেই। বিধান মার্কেট আর হিলকার্ট রোডই ছিল বড়ো কেনাকাটার ঠিকানা। আজকের মতো বড় শপিং মল বা মাল্টিপ্লেক্সের কোনো অস্তিত্বই ছিল না।
চারিদিকের প্রকৃতি আর পরিবেশও ছিল বেশ সুন্দর। চারদিকে ছিল প্রচুর বন-জঙ্গল, রিসোর্ট বা হোটেল সংখ্যা ছিল খুব কম। শহরের ভেতরে ছিল অনেক ফাঁকা জায়গা, কৃষিজমি, চা বাগানের পাড়ে ছোট ছোট বসতি। সন্ধ্যের পর গোটা শহরের পরিবেশ একদম নিরিবিলি হয়ে যেত।
শিলিগুড়ির এক নাগরিক বাণী করঞ্জই জানিয়েছেন, "আগের শিলিগুড়ি ছিল অনেক সুন্দর। আমি এখানে প্রায় ৬৫ বছর ধরে আছি। তখন এতো ঝাঁ চকচকে শপিং মল, বাড়ি কিছুই ছিল না। আমরা সবাই কাঠের বাড়িতে থাকতাম। এখন যেমন শিলিগুড়িতে শীতের পরিমাণ খুব কমে গেছে আগে গরমকালে একটু বৃষ্টি হলেই মানুষ কাঁথা-কম্বল বের করে ফেলতো। এখন আর ওতো গাছপালা দেখতে পাওয়া যায় না। সব গাছ কেটে ফ্ল্যাট তৈরী হয়ে গেছে। আগেকার শিলিগুড়ির মানুষজন ছিল খুব সহজ ও সরল।"
আবেদন করার পরও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছায়নি
প্রাচীন এক্তেশ্বর শিব মন্দিরে মহাদেব বরফ দিয়ে সাজানো
শান্ত পরিবেশের টানে বাড়ছে পর্যটকদের ভিড়
ভিড় থেকে দূরে কয়েক দিন কাটানোর জন্য অনন্য জায়গা
নিরিবিলি পরিবেশে ভ্রমণপ্রেমীদের নতুন পছন্দ বাগোরা
২০২৬ সালে EPFO একাধিক অনলাইন পরিষেবা চালু করেছে
শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর ফের সংঘর্ষের আবহ, পালটা আক্রমণেও সক্রিয় তেহরান
বঙ্গোপসাগরে ডুবে গেল শরণার্থী বোঝাই দু’টি নৌকা, মৃতদের মধ্যে মহিলা ও শিশুরাও থাক...
দমন-পীড়নের অভিযোগে উত্তাল পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত বাহ...
একটি রেস্টুরেন্টে বসে খাবার খাওয়ার সময় আচমকাই ভেঙে যায় একটি চেয়ার
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের