নিজস্ব প্রতিনিধি , দিল্লি - ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) কিংবদন্তি যুদ্ধবিমান মিগ-২১ অবসর নেওয়ার পরও থামছে না তার উড্ডয়ন। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আবেগঘন বিদায়ের পর, এই ঐতিহাসিক যুদ্ধবিমানকে নতুন জীবন দিতে যাচ্ছে বায়ুসেনা। “হেরিটেজ ফ্লাইট” নামে বিশেষ কর্মসূচির আওতায় মিগ-২১ আবারও আকাশে উড়বে—যদিও যুদ্ধের জন্য নয়, বরং ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে জীবন্ত রাখার জন্য।
ভারতীয় বায়ুসেনার হেরিটেজ ফ্লাইট হলো একটি বিশেষ প্রকল্প, যার মাধ্যমে পুরোনো বা ঐতিহাসিক বিমানগুলোকে পুনরুদ্ধার করে প্রদর্শন করা হয়। এই প্রকল্পে বর্তমানে রয়েছে টিগার মথ, হার্ভার্ড এবং ডকোটা নামের প্রাচীন বিমানগুলো। সম্প্রতি হিন্দুস্তান ট্রেইনার-২ (HT-2) পুনরুদ্ধার করে উড়ানো হয়েছিল বায়ুসেনা দিবসে। এখন সেই তালিকায় যোগ হতে চলেছে মিগ-২১—ভারতের প্রথম অতিস্বনক যুদ্ধবিমান।
১৯৬৩ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে ক্রয়কৃত এই বিমান ভারতকে প্রবেশ করায় জেট যুগে। দেশীয়ভাবে উৎপাদনের সুযোগ থাকায় এটি ছিল সাশ্রয়ী এবং দীর্ঘমেয়াদে রক্ষণাবেক্ষণযোগ্য। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধসহ একাধিক যুদ্ধে এই বিমান অসাধারণ অবদান রাখে। ঢাকায় গভর্নরের বাসভবনে বোমা বর্ষণ করে যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া ঐতিহাসিক অভিযানও মিগ-২১-এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
১৯৯৯ সালের কারগিল যুদ্ধে এই বিমান আবারও ভারতের অস্ত্রভাণ্ডারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যদিও পরবর্তীতে বহু দুর্ঘটনার কারণে “ফ্লাইং কফিন” নামে কুখ্যাতি পায়, তবু অনেক অভিজ্ঞ পাইলট মনে করেন, এই উপাধি অন্যায়। তাদের মতে, সঠিক প্রশিক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণে মিগ-২১ ছিল নির্ভরযোগ্য এক যুদ্ধসঙ্গী।
২০১৯ সালের বালাকোট অভিযানে এই বিমান আবারও আলোচনায় আসে, যখন উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমান একটি পাকিস্তানি এফ-১৬ গুলি করে ভূপাতিত করেন বলে দাবি করে ভারত। এটি মিগ-২১-এর ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় যোগ করে।
২০২৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর চণ্ডীগড়ে জল কামানের স্যালুটের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর নেয় মিগ-২১। কিন্তু এবার এটি ফিরে আসছে স্মৃতির প্রতীক হিসেবে—ভারতীয় বায়ুসেনার গৌরবময় ঐতিহ্যকে ধারণ করে।
হেরিটেজ ফ্লাইটে যুক্ত হওয়ার পর মিগ-২১ আবারও ভারতের আকাশে উড়বে, তবে যুদ্ধক্ষেত্রে নয়—ইতিহাস, গর্ব ও দেশপ্রেমের বার্তা বহন করতে। ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে আকাশ দখল করা এই কিংবদন্তি যুদ্ধবিমান ভারতের বায়ুসেনার অমর প্রতীক হয়ে থাকবে চিরকাল।
কিন্তু চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় তৈরি হয়েছে এক বিরাট ঘাটতি
আগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই এই অত্যাধুনিক সাবমেরিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন হতে পারে
মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মধ্যে তাৎক্ষণিক অর্থ লেনদেনকে সহজ নিরাপদ ও একক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর