নিজস্ব প্রতিনিধি, ইসলামাবাদ – দীর্ঘ ৫ বছর ধরে ইসলামাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি পদে রয়েছেন তিনি। আইনের রক্ষক তিনি। অথচ তাঁর নিজের আইনের ডিগ্রিটাই ভুয়ো। এমনটা সম্ভব হয়তো পাকিস্তান বলেই। শিক্ষাগত যোগ্যতার নথি জাল অবশেষে ধরা পড়েছেন সেই বিচারপতি। এরপরই পাকিস্তানের বিচারব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
ইসলামাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতির নাম তারেক মাহমুদ জাহাঙ্গিরি। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ভুয়ো আইনের ডিগ্রির শংসাপত্র তৈরি করে চাকরি পেয়েছেন। সূত্রের খবর, ১৯৮৮ সালে ভুয়ো এনরোলমেন্ট নম্বর ব্যবহার করে আইনের পরীক্ষা দেন তারেক মাহমুদ জাহাঙ্গিরি। পরীক্ষার সময় টুকলি করতে গিয়ে ধরা পড়েন তিনি। ১৯৮৯ সালে বিশ্ববিদ্যালয় ৩ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে তাঁকে।
এরপরই ভুয়ো আইনের ডিগ্রির শংসাপত্র তৈরি করেন তারেক মাহমুদ জাহাঙ্গিরি। ল কলেজের অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, কোনও দিন তাঁর প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হননি তারেক। এই ঘটনয় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ হয়েছিলেন তারেক মাহমুদ জাহাঙ্গিরি।
সৌদি আরবের সাহায্যে এগিয়ে এল পাকিস্তান, চুক্তি মেনে রিয়াদে মোতায়েন হলো পাক সেনা
খাওয়াদাওয়ার মাঝেই রক্তগঙ্গা! তুরস্কের রেস্তরাঁয় বন্দুকবাজের হামলায় নিহত ৪, আহত ৮
ইরানে বিষ্ণু মন্দিরের ইতিহাস জানালেন অমিতাভ বচ্চন
‘ইন্টারনেটের তারেও এবার ভাড়া দেব’! ট্রাম্পের চিনের সফরের পরেই মার্কিন টেক জায়ান্...
জেলেনস্কির বদলা! ৫০০ ড্রোনের ধাক্কায় কাঁপল মস্কো, এক বছরের বড় হামলায় বিপর্যস্ত র...