নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - ন্যূনতম ১৫ হাজার টাকা মাসিক বেতনসহ ১০ দফা দাবিতে স্বাস্থ্য ভবন অভিযানকে কেন্দ্র করে বুধবার কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নিল মহানগরী। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা আশা কর্মীদের মিছিল আটকে দিতে পথে পথে পুলিশি ব্যারিকেড দেওয়া হয়। ধরপাকড় ও কড়া নজরদারিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ধর্মতলা থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ জুড়ে।
এক মাসেরও বেশি সময় ধরে রাজ্যজুড়ে কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছেন আশা কর্মীরা। তাদের দাবি, ন্যূনতম ১৫ হাজার টাকা মাসিক বেতন, কর্মরত অবস্থায় মৃত্যু হলে পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য, বকেয়া ইনসেনটিভ মেটানো, মাতৃত্বকালীন ছুটি-সহ মোট ১০ দফা দাবি অবিলম্বে মানতে হবে। বুধবার সেই দাবিদাওয়া নিয়ে স্বাস্থ্য ভবন অভিযানের ডাক দেওয়া হলে যাত্রার শুরু থেকেই বিভিন্ন জায়গায় আশা কর্মীদের আটকে দেয় পুলিশ।
সমস্ত বাধা উপেক্ষা করে আশা কর্মীরা ধর্মতলা পৌঁছালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতেই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন আন্দোলনকারীরা। ধর্মতলায় পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কেন তাদের আটকানো হল?এই প্রশ্ন তুলে একজোট হয়ে প্রতিবাদ জানান আশা কর্মীরা। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কর্মসূচির পূর্ব নির্ধারিত অনুমতি বা শিডিউল না থাকায় জমায়েত করা যাবে না।
আগামী ২২শে এপ্রিল মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে
ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে
শুক্রবারের মধ্যে কমিশনের বিজ্ঞপ্তির ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
সিগন্যাল বিভ্রাটের জেরে বন্ধ মেট্রো পরিষেবা
যদিও কি কারণে এই তল্লাশি অভিযান সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি
রাজ্যসভার সচিবকে চিঠি বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের
শুক্রবার ভোর থেকে সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা
অভিযান ঘিরে বিক্ষোভে সামিল তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা
কমিশনের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেন শমীক ভট্টাচার্য
বৃহস্পতিবার ধৃত আইনজীবীকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়
আদালতের নির্দেশে খুশির হাওয়া তৃণমূলে
ভোটের মুখে বড় চাল বিজেপির
SIR এ ১৪২ ধারায় বিশেষ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
ভোটারদের নিরাপত্তায় জেলায় জেলায় টহলদারি পুলিশের
কমিশনের বক্তব্যে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়