নিজস্ব প্রতিনিধি , পুরুলিয়া - নির্বাচনের আগে রেলপথের বেহাল অবস্থা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা ছড়িয়েছে। শাসক শিবির এই পরিস্থিতির জন্য বিজেপিকে দায়ী করলেও, পাল্টা অভিযোগ তুলেছে গেরুয়া শিবির। তবে প্রতিশ্রুতি বা দোষারোপের বাইরে বাস্তব সমাধানের অপেক্ষায় রয়েছেন নিত্যযাত্রীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , পুরুলিয়া থেকে বাঁকুড়া হয়ে হাওড়া যাওয়া এই লাইনে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ নির্ভর করেন ট্রেন পরিষেবার ওপর। কিন্তু গত ৫-৬ বছর ধরে ট্রেনের নির্ধারিত সময়সূচি কার্যত অচল। ৫-১০ মিনিট নয়, ঘণ্টার পর ঘণ্টা দেরি যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। একাধিকবার প্রতিবাদ হলেও অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি বলে অভিযোগ।

বুধবার শহরে আয়োজিত এক রাজনৈতিক সমাবেশে বক্তব্য রাখেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই বিষয়টি সামনে আনেন তিনি। সরাসরি নিশানা করেন বিজেপির দিকে। একইসঙ্গে সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকার বার্তাও দেন।
এদিন মঞ্চ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, 'রাত ১০টার ট্রেন গভীর রাতে ঢোকে, সকাল ৬টার ট্রেন বেলা ১০টায় গন্তব্যে পৌঁছায়। এরকমভাবে চলতে পারে না, মানুষের সময়ের দাম আছে। ভোটের ফল ঘোষণার ৩ মাসের মধ্যেই এখান থেকে ২০ জন প্রতিনিধি দল নিয়ে রেলমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করব। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবি জানানো হবে'।
অন্যদিকে রাজ্যে বিজেপির সভাপতি সমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'সরকারি বা বেসরকারি কাজের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ করতে হয় রাজ্যে সরকারকে। যা শাসক দল করছে না। রেললাইন হোক বা হাইওয়ে ব্রিজ, সব ক্ষেত্রেই জমি জট বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যার মাশুল দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে'।
এ প্রসঙ্গে পূর্ব রেলের প্রাক্তন মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক নিখিল চক্রবর্তী জানান, 'যেসব প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণের বিষয় থাকে, সেখানে দেরি হলে কাজ আটকে যায় সেটা ঠিকই। তবে এ ক্ষেত্রে ট্রেন দেরির সঙ্গে জমি সমস্যার সরাসরি তেমন কোনও সম্পর্ক নেই'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়