নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - বঙ্গে বিজেপি জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে ২০৭টি আসনে জয়লাভ করে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের নজির গড়েছে গেরুয়া শিবির। তৃণমূলকে কার্যত নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে প্রথমবার নবান্ন দখলের পথে গেরুয়া শিবির। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এই জয়কে ‘ঐতিহাসিক ও নির্ণায়ক’ বলে অভিহিত করে এই বিশেষ বার্তা পাঠানো হয়েছে।
সূত্রের খবর, বাংলায় এই জয়ের নেপথ্যে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নিখুঁত রণকৌশল কাজ করেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। নির্বাচনী প্রচারে প্রধানমন্ত্রী মোদি ১৯টি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ২৯টি জনসভা করেছিলেন। বিশেষ করে ভোটের শেষ পর্বে অমিত শাহের ১৮ দিনের মাটি কামড়ে পড়ে থাকা, সুনীল বনসল ও ভূপেন্দ্র যাদবের নির্বাচনী পরিকল্পনা এই জয়কে সুনিশ্চিত করেছে।
এছাড়াও ঘরের মাঠ ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয় ও নন্দীগ্রামসহ দুই কেন্দ্রে শুভেন্দু অধিকারীর জয় ঘাসফুল শিবিরের পতনকে আরও ত্বরান্বিত করেছে। জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রথম ক্যাবিনেটেই আয়ুষ্মান ভারত যোজনা চালু করা হবে এবং অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই আবহে মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কুশ দেশাই জানিয়েছেন যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই সাফল্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত।
বাংলার এই ঐতিহাসিক পরিবর্তন নিয়ে উচ্ছ্বসিত বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় জানিয়েছেন, মোদিজির প্রতি মানুষের অগাধ বিশ্বাস ও অমিত শাহের নিখুঁত রণনীতির কারণেই এই জয় সম্ভব হয়েছে। পাহাড় থেকে সাগর-সর্বত্রই পদ্ম শিবিরের এই উত্থান বাংলার রাজনীতিতে এক নতুন যুগের সূচনা করল।
তামিল রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে শীঘ্রই
শুক্রবার দলের বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে তাকেই ফের পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়
অনুপম খেরের টাক মাথায় চুলও গজাতে পারে কিন্তু বাংলায় আর তৃণমূল ফিরে আসবে না ক্ষমতায়
অগ্নিকাণ্ডের জেরে আহতও হয়েছে বেশ কয়েকজন
এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বিঁধলেন অভিনেত্রী কুণিকা সদানন্দ
রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে সম্প্রীতি বজায় রাখার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়...
এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জগদ্দল বিধানসভায়
তৃণমূলে যোগ দেওয়া থেকে শুরু করে তৃণমূল ছেড়ে দেওয়া সবকিছুর পেছনে ঠিক কী কারণ ছ...
এই জয় কোনওভাবেই সেই ক্ষত বা বেদনার ক্ষতিপূরণ হতে পারে না
বিদেশে পালানোর আশঙ্কাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে