নিজস্ব প্রতিনিধি , মুম্বই - দিনের আলোয় ৪ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণের পর পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে খুনের অভিযোগ উঠল বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। এই পাশবিক অপরাধের অভিযোগে ৬৫ বছরের ওই বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা মুম্বই-বেঙ্গালুরু হাইওয়ে অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। বর্তমানে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল গোটা দেশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে চকোলেটের লোভ দেখিয়ে শিশুটিকে নির্জন স্থানে নিয়ে যায় ওই বৃদ্ধ। অভিযোগ, সেখানে ধর্ষণের পর প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে শিশুটিকে খুন করে দেহটি একটি গোয়ালঘরে লুকিয়ে রাখা হয়। দীর্ঘক্ষণ বাচ্চাটি বাড়ি ফিরে না আসায় তার পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করে। পরে তাকে খুঁজে পেলে রীতিমতো বাকরুদ্ধ হয়ে যান পরিবারের লোকজন।
এরপর থানায় অভিযোগ জানায় পরিবারের লোকজন। তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজে শেষবার ওই বৃদ্ধের সঙ্গেই শিশুটিকে দেখা গিয়েছিল। এরপরই পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে ও তার বিরুদ্ধে পকসো (POCSO) আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, ধৃতের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক নাবালিকাকে নিগ্রহের রেকর্ড রয়েছে।
এই মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ব্যাপক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তবে নির্যাতিতার বাবা এক ভিডিও বার্তায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, তার মেয়ের ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত যেন কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তাদের বাড়িতে না আসেন। তিনি বলেন, 'আমি ও আমার পরিবার অনুরোধ করছি, যতক্ষণ না আমাদের মেয়ে সুবিচার পাচ্ছে আর অপরাধীর ফাঁসি হচ্ছে, ততক্ষণ অনুগ্রহ করে কোনো নেতা যেন আমাদের বাড়িতে না আসেন। আমরা কারও সঙ্গে দেখা করতে চাই না'।
নৃশংস এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এনসিপি (এসসিপি) সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে। তিনি ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে বিচার করে অপরাধীর মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানিয়েছেন। এলাকার পুলিশ সুপার আশ্বাস দিয়েছেন যে, আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে চার্জশিট পেশ করা হবে। নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে এমন জঘন্য অপরাধ রুখতে রাজ্যে কঠোর 'শক্তি আইন' কার্যকর করার দাবিও নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে। বর্তমানে অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছে।
তামিল রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে শীঘ্রই
শুক্রবার দলের বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে তাকেই ফের পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়
অনুপম খেরের টাক মাথায় চুলও গজাতে পারে কিন্তু বাংলায় আর তৃণমূল ফিরে আসবে না ক্ষমতায়
অগ্নিকাণ্ডের জেরে আহতও হয়েছে বেশ কয়েকজন
এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বিঁধলেন অভিনেত্রী কুণিকা সদানন্দ
রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে সম্প্রীতি বজায় রাখার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়...
এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জগদ্দল বিধানসভায়
তৃণমূলে যোগ দেওয়া থেকে শুরু করে তৃণমূল ছেড়ে দেওয়া সবকিছুর পেছনে ঠিক কী কারণ ছ...
এই জয় কোনওভাবেই সেই ক্ষত বা বেদনার ক্ষতিপূরণ হতে পারে না
বিদেশে পালানোর আশঙ্কাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে