নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - তারাতলার বহুতল বিপর্যয় কাণ্ডে এবার সামনে এল একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। বেআইনি ও ত্রুটিপূর্ণ নকশা অনুমোদনের অভিযোগে ধৃত কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে টানা জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে লালবাজার। ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে।
কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ওএসডি হিসেবে কাজ করতেন। তারাতলা দুর্ঘটনার তদন্তে তাঁর নাম সামনে আসে। অভিযোগ, ত্রুটিযুক্ত বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদনের ক্ষেত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই সম্প্রতি তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। পরে আলিপুর আদালত তাঁকে ৪ জুলাই পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়।
তদন্তকারীদের দাবি, জেরার সময় কালীচরণ বিশেষ সহযোগিতা করছেন না। প্ল্যান অনুমোদনের প্রক্রিয়া নিয়ে তাঁকে একাধিক প্রশ্ন করা হয়েছে। আর্থিক লেনদেন ও তাঁর ভূমিকা সম্পর্কেও জানতে চাওয়া হয়েছে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তিনি স্পষ্ট উত্তর দিতে চাননি। ফলে তদন্তকারীদের সন্দেহ আরও বেড়েছে। লালবাজার জানতে চায়, কীভাবে বিভিন্ন নকশা অনুমোদন পেত। সেই অনুমোদনের পিছনে কারা কাজ করত।
অভিযোগ উঠেছে, মোটা টাকার বিনিময়ে অনেক অযোগ্য ব্লু-প্রিন্টকেও ছাড়পত্র দেওয়া হত। তদন্তে আরও জানা গেছে, এই কাজের জন্য কালীচরণের একটি নিজস্ব টিম ছিল। সেই দলের সদস্য কারা ছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই চক্রের বিস্তার কতদূর ছিল, তা জানতেও তদন্ত চলছে। প্রয়োজনীয় নথি ও তথ্য সংগ্রহের জন্য কলকাতা পুরনিগমের বিল্ডিং বিভাগের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে লালবাজার। তদন্তকারীরা আর্থিক লেনদেনের দিকটিও খতিয়ে দেখছেন।
টাকা কারা নিত, কারা সেই সুবিধা ভোগ করত, তা জানার চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে, বিধানসভায় এই ইস্যুতে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করেন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, 'ক্যামাক স্ট্রিট'-এর নির্দেশেই কালীকে পুরসভায় আনা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, কালীচরণের অনুমতি বা সবুজ সংকেত ছাড়া কলকাতার কোনও বড় বহুতলের নকশা পাশ হতো না।
মামলার শুনানির সময় আলিপুর আদালতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবি করেন সরকারি আইনজীবী সৌরীন ঘোষাল। তিনি বলেন, কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরে বেআইনি উপায়ে কাজ করতেন। বিপুল অর্থের বিনিময়ে ত্রুটিপূর্ণ ও গলদে ভরা বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদন করানো হত। যে সব নকশা নিয়ম অনুযায়ী পাশ হওয়ার যোগ্য ছিল না, সেগুলিও ছাড়পত্র পেয়ে যেত।সরকারি আইনজীবীর দাবি, এই কাজ একা করা সম্ভব নয়। এর জন্য একটি সুসংগঠিত দল তৈরি করা হয়েছিল। সেই দল নথিপত্র তৈরি করত। পাশাপাশি প্ল্যান অনুমোদনের বিভিন্ন পর্যায়েও সক্রিয় ছিল। কারা সেই দলে ছিলেন, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।
আদালতে আরও জানানো হয়, কালীচরণের মাথার উপর প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের আশ্রয় ছিল বলে সন্দেহ। সেই কারণেই দীর্ঘদিন ধরে এই চক্র সক্রিয় থাকতে পেরেছিল বলে অভিযোগ। এই নেটওয়ার্কের মূল উৎস কোথায়, তা জানার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে টাকার লেনদেন কীভাবে হতো, কারা তার সঙ্গে যুক্ত ছিল, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই কারণেই ধৃতকে আরও বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে আদালতে জানান সরকারি আইনজীবী।
কলকাতার রাজপথে সাইকেল নিয়ে একাধিক সংগঠনের সদস্যরা
জেতার ক্ষমতাই প্রার্থী বাছাইয়ের মাপকাঠি বিজেপির
যাদবপুরে সাদা রঙে মুছে দেওয়া হল বিতর্কিত লেখা
২০২৬-এর পুজোয় থাকছে অভিনব চমক
অভিষেকের পর ডেরেককেও থানায় তলব
অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ
বাইক-গাড়ির হেডলাইটে কমবে আলোর তীব্রতা, শহরে হাই-বিমেও আসছে সতর্কবার্তা
রাখির দিনেই ভাইকে হারালেন বোন, নিথর হাতে শেষ রাখি
ফেল হলেও পড়ুয়াদের সামনে খুলবে দক্ষতা উন্নয়নের নতুন দরজা
বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহে বাধার সম্মুখীন গণনাকারীরা
জানুন দ্রুত বুকিংয়ের জন্য কোন অ্যাপ এগিয়ে
কিছু মাসের মধ্যে নামবে গঙ্গায় পরিবেশবান্ধব জলযান
মণ্ডপ আর প্রতিমা নিয়ে কী বার্তা দিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ
ইতিমধ্যেই মালিকপক্ষের তরফে নোটিশ পাঠানো হয়েছে
প্রেসিডেন্সি জেলের ১৪ নম্বর সেলে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার একাধিক যন্ত্র
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের