নিজস্ব প্রতিনিধি , দিল্লি - স্বামীর খুনের প্রধান সাক্ষী হওয়ার মাশুল গুনতে হল স্ত্রীকে। ২ বছরের মাথায় দুষ্কৃতীদের গুলিতে নিহত স্ত্রী। ২ বছর আগে দিল্লিতে শালিমার বাগে বিজেন্দ্র যাদবকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান , স্বামীর খুনের সাক্ষী হওয়ার জেরেই হত্যা করা হল স্ত্রীকে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
সূত্রের খবর , মৃতার নাম রচনা যাদব। শনিবার সকাল ১১ টা নাগাদ এক প্রতিবেশীর সঙ্গে দেখা করে রচনা বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময়ে দুজন দুষ্কৃতী পথ আটকে তার নাম জিজ্ঞেস করে। নাম নিশ্চিত হওয়ার পরেই তাঁর মাথায় গুলি করে। ঘটনাস্থলেই রচনার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে মহিলার মৃতদেহ।
উল্লেখ্য , ২০২৩ সালে শত্রুতার জেরে রচনার স্বামী বিজেন্দ্র যাদবকেও গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। বর্তমানে আদালতে সেই মামলার বিচার চলছে। এই মামলায় রচনার সাক্ষ্য ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিজেন্দ্র হত্যা মামলায় ভরত যাদবসহ আরও পাঁচ জন অভিযুক্ত ছিল। প্রধান অভিযুক্ত ভরত যাদব এখনও পলাতক।
তদন্তকারীদের অনুমান, সাক্ষী দেওয়া থেকে রচনাকে রুখতে ও মামলা বন্ধ করতেই রচনাকে খুন করা হয়েছে। পলাতক ভরতকে খুঁজতে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। একাধিক দল গঠন করা হয়েছে।
রচনার মেয়ে কণিকা বলেন, "আমার বাবার খুনের মামলায় অভিযুক্তরা তিহার জেলে বসে ছক কষেছে। ভরত যাদব পরিকল্পনা করে আমার মাকে খুন করেছে। ওরা ভয় পেয়েছিল যে মায়ের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে ওদের সাজা হয়ে যাবে। ভরত যাদবকে খুঁজে বার করা হোক। আমার বাবা মায়ের খুনিদের শাস্তি চাই।"
ভারত-কানাডার বন্ধুত্ব
ইরানের সঙ্গে আমেরিকা-ইজরায়েলের যুদ্ধ তুঙ্গে
সপ্তাহের প্রথম দিনই রক্তাক্ত শেয়ার বাজার
উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর
বেজায় জটিল মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
বেজায় জটিল মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও
যুদ্ধের কালো মেঘ মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে
ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য থানেতে
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
অভিযুক্ত যুবতীর খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
সামনেই রাজ্যসভা নির্বাচন
এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে সতর্কবার্তা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর