নিজস্ব প্রতিনিধি, মুম্বই – ২৬/১১। আজও তারিখটার কথা মনে পরলে গা শিউরে ওঠে। স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে অভিশপ্ত দিন। ১৬৬ জনের রক্তমাখা মায়ানগরী। সকলের চোখকে ফাঁকি দিয়ে হত্যালীলা চালায় ১০ জন পাকিস্তানি জঙ্গি। এই হামলার ‘মূল চক্রী’ পাকিস্তান মদতপুষ্ট কুখ্যাত হাফিজ সইদ।
লস্কর-ই-তৈবার কেন্দ্রে ৪ দফা ট্রেনিং দেওয়া হয় ১০ জঙ্গিকে। প্রশিক্ষণ দেয় লস্করের শীর্ষ নেতৃত্ব। মুম্বইয়ের ৬ টি জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে ১০ জনের টিম। প্রথমে হামলা চালায় ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস রেল স্টেশনে। এরপর একে একে হামলা চালায় কামা হাসপাতাল, লিওপল্ড ক্যাফে, মুম্বইয়ের তাজ হোটেল এবং ওবেরয় রিসর্টের সদর দফতর, নরিম্যান হাউসে।
সেই মুহূর্তে চারিদিকে শুধুই হাহাকার। রক্ত গঙ্গায় ভাসছে মায়ানগরী। ১০ জঙ্গিকে খতম করতে নিজেদের প্রাণের বাজি রেখে ঝাঁপিয়ে পড়ে মুম্বই পুলিশ, NSG কমান্ডো। শুরু হয় ‘অপারেশন ব্ল্যাক টর্নেডো’। প্রায় ৬০ ঘণ্টা ধরে গুলির লড়াই চালিয়ে জঙ্গিদের খতম করে মুম্বই পুলিশ, NSG কমান্ডোর টিম। ২৪ নভেম্বর গ্রেফতার করা হয় জঙ্গি আজমল কাসভকে। ২০১২ সালের ২১ নভেম্বর পুনের ইয়েরওয়াড়া জেলে ফাঁসি দেওয়া হয় কাসভকে। কিন্তু মূলচক্রীরা আজও অধরা।
হাসপাতালে ভর্তি তরুণী
মৃতদেহের পকেট থেকে উদ্ধার একটি সুইসাইড নোট
২৭ জনের মাথার দাম ছিল মোট ৬৫ লক্ষ টাকা
দেশজুড়ে তল্লাশি অভিযান দিল্লি পুলিশের
শারীরিক ভাবে অসুস্থ লালু
সত্য বলার ‘অপরাধে’ জম্মুতে ‘বুলডোজার’ শাসন
গণবিবাহে সমাগম হওয়ার কথা প্রায় ২৫ হাজার মানুষের
নেকড়ের হামলায় আতঙ্কে স্থানীয়রা
আতঙ্কে ঘরছাড়া স্থানীয়রা
মোদির মুখে রাম মন্দিরের জয়গান
ট্রাম্প প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা জয়শঙ্করের
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ
সিঁদুরে মেঘ দেখছে দিল্লিবাসী
একাধিক স্কুল, কলেজে ছুটি ঘোষণা
হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে
হামলার কথা স্বীকার ইজরায়েলের
সতর্কতামূলক পদক্ষেপ এয়ারবাসের
সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল ভিডিও
বিবৃতি জারি ট্রাম্প প্রশাসনের
আপাত বন্ধ স্কুল-অফিস