নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - শ্রীরাম কৃষ্ণদেবের জন্মতিথি উপলক্ষ্যে উৎসবের আবহে মুখরিত হয়ে উঠল ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কৃষ্ণগঞ্জের শিবনিবাস এলাকা। আধ্যাত্মিক পরিবেশের পাশাপাশি ভক্তসমাগমে এদিন আশ্রম প্রাঙ্গণে দেখা গেল ভক্তিমুখর উচ্ছ্বাস।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের শুক্লা তিথিতে বেলুড় মঠ-সহ একাধিক স্থানে অনুষ্ঠিত হয় শ্রীরামকৃষ্ণের জন্মতিথি। এ বছর উদযাপন পৌঁছেছে ১৯১তম বর্ষে। মাজদিয়া শ্রীরামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ সেবা সমিতির উদ্যোগে সাড়ম্বরে আয়োজিত হয় বিশেষ পূজা।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বহু অনুরাগীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় আশ্রম প্রাঙ্গণে। সকালে মন্দিরে মঙ্গলারতির মধ্য দিয়ে সূচনা হয় আচার-অনুষ্ঠানের। দিনভর ঊষাকীর্তন, বেদপাঠ, স্তবগান, ধর্মসভা-সহ একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ভক্ত আল্পনা সিংহ জানান, 'এই দিনে প্রত্যেক বছরই আসি পূজা দিতে। এ বারও ব্যতিক্রম হয়নি। এখানে এলে খুব ভালো লাগে। জীবন সম্পর্কে আমাদের চিন্তাধারা বদলে যায়। যতদিন পারব অবশ্যই আসব'।
সংগঠনের সম্পাদক অসিত কুমার সরকার জানান, 'প্রত্যেক বছরই আমরা এই তিথি পালন করে থাকি। রামকৃষ্ণের আদর্শ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া সমাজের জন্য কল্যাণকর। এদিন ভক্তদের জন্য বিশেষ প্রসাদ গ্রহণের ব্যবস্থাও থাকে। সকলকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। শিবনিবাসের বিখ্যাত শিব মন্দিরের পাশাপাশি আমাদের আশ্রমে আসার অনুরোধ রইল'।
আধ্যাত্মিক পরিবেশের পাশাপাশি ভক্তসমাগমে উৎসবের উচ্ছ্বাস তুঙ্গে
যুগের পর যুগ ধরে ভক্তরা বিশ্বাস করে আসছেন যে তাঁর নাম স্মরণ করলে জীবনের নানা বাধা-বিপত্তি দূর হয়
সীমান্তে অবস্থিত এই তীর্থস্থানটি এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শিবলিঙ্গের জন্য সুপরিচিত
ধর্মীয় আবহের পাশাপাশি পুণ্যার্থীদের উপস্থিতিতে এলাকা জুড়ে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে
আধ্যাত্মিক পরিবেশের পাশাপাশি ভক্তসমাগমে উৎসবের উচ্ছ্বাস তুঙ্গে
ভালোবাসা আর রঙিন পাপড়ির মেলবন্ধনে জমে উঠেছে এলাকা
সংখ্যালঘুদের উদ্দেশ্যে বার্তা তারেকের
হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম রমজান মাস
যৌন কেলেঙ্কারির ছায়া ব্রিটেনের রাজ পরিবারের ওপর
৩ দিনের ভারত সফরে ম্যাক্রোঁ