নিজস্ব প্রতিনিধি , জলপাইগুড়ি - মাঘ সংক্রান্তি উপলক্ষ্যে ভক্তসমাগমে মুখরিত কালিরহাটের শতাব্দীপ্রাচীন বড় কালী মন্দির। ধর্মীয় আবহের পাশাপাশি পুণ্যার্থীদের উপস্থিতিতে এলাকা জুড়ে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। পর্যটকদের উপস্থিতিতে আর্থিক কর্মকাণ্ডেও গতি এসেছে বলে মত স্থানীয় ব্যবসায়ীদের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , ডুয়ার্সের প্রাচীনতম ও জাগ্রত মন্দিরগুলির মধ্যে অন্যতম এই বড় কালী মন্দির। দেবীর নামানুসারেই এলাকার নাম হয়েছে কালিরহাট। কথিত আছে, এক সময় দীপান্বিতা অমাবস্যায় আরাধনা অনুষ্ঠিত হলেও, পরবর্তীতে স্বপ্নাদেশে ফাল্গুন মাসে পুজোর প্রথা চালু হয়।

জনশ্রুতি অনুযায়ী, এলাকার এক ব্যক্তির ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পর তিনি মায়ের কাছে প্রার্থনা করেছিলেন। কিছুদিন পর এক রহস্যময় বৃদ্ধার সহায়তায় বাচ্চাটি বাড়ি ফিরে আসে। সেই ঘটনার পর থেকেই ফাল্গুন মাসে বাৎসরিক আয়োজন করা হয়ে আসছে। এ বছর উৎসব পদার্পণ করেছে ১২৭তম বর্ষে।
পুজো ও মেলাকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য মোতায়েন রয়েছে ধূপগুড়ি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। নিরাপত্তা বজায় রাখতে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, মন্দিরের পাশ দিয়েই সোনাখালী পর্যন্ত একটি সড়কপথ রয়েছে। বর্তমানে রাস্তা পাকা হলেও এক সময় জঙ্গলে ঘেরা ছিল বলে জানান স্থানীয়রা।
দর্শনার্থী সুমনা রায় জানান, 'আমি প্রত্যেক বছর এখানে আসি। এত ভিড় সত্ত্বেও খুব বেশিক্ষণ লাইনে দাঁড়াতে হয়নি। এখানকার ব্যবস্থাপনা খুবই ভালো। মা তো মা-ই হন-এখানে আসলে মন ভালো হয়ে যায়। এইজন্য বার বার ছুটে আসি। ছোট থেকেই দেখে আসছি, মা ভীষণ জাগ্রত'।
মন্দির কমিটির সদস্য উত্তম কুমার রায় বলেন, 'সংবাদমাধ্যমে প্রচারের ফলে এ বছর ভক্তসমাগম আরও বেড়েছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এখানে আসছেন। বড় কালী মা অত্যন্ত জাগ্রত, তাঁর কাছে প্রার্থনা করলে মনস্কামনা পূরণ হয়। মেলার জন্য এখানে জল, চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে'।
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়