নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - জেল থেকে ফিরেই ফের স্বমহিমায় পঞ্চায়েত সদস্য ও তার অনুগামীরা। ব্যবসা চালাতে গেলে দিতে হবে ৯ লক্ষ টাকা ‘সেলামী’। আর সেই টাকা না মেলাতেই এক ব্যবসায়ীর অফিসে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর ও তান্ডব চালানোর অভিযোগ উঠল স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
রবিবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় সোনারপুর ব্লকের খেয়াদহ ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালনগর এলাকা। আক্রান্ত ব্যবসায়ী আশিস হালদারের দাবি, গোপালনগর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তার ব্যবসা রয়েছে। অভিযোগ, ২০২৩ সাল থেকেই স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য সজল মণ্ডল ও তার দলবল দফায় দফায় মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে আসছিলেন। এর আগেও এই তোলাবাজির অভিযোগে সজল মণ্ডল ও তার সঙ্গীদের পুলিশ গ্রেফতার করে সংশোধনাগারে পাঠিয়েছিল। কিন্তু প্রতিবারই জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে ফিরে এসে ফের শুরু হতো হুমকির পালা।
ব্যবসায়ী আশিস হালদারের অভিযোগ, ' ২০২৩ সালে সজল মণ্ডল ও তার আশ্রিত গুন্ডারা আমার কাছে হিসেবে ৯ লক্ষ টাকা চেয়েছিল কিন্তু আমি সেই টাকা না দেওয়াতে আমার দোকানে ভাঙচুর চালায়। পুলিশের কাছে অভিযোগ করলে ওরা বেল পেয়ে বেরিয়ে ফের আবার আমাকে হুমকি দিতে থাকে। তারপর সজল মন্ডল অন্যের মারফত আমার কাছে জানায় যে ওখানে দোকান চালাতে হলে আমাকে আমার লাভের অর্ধেকটা তাকে দিতে হবে।'
ব্যবসায়ীর অভিযোগ, ' আমি সেই টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় রবিবার ফের আমার দোকানে ভাঙচুর চালায়। সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ মনিটর নষ্ট করে দিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ নথি থেকে ক্যাশ টাকা সমস্ত কিছু লুটপাট করেছে। এই দুষ্কৃতীদের দৌরাত্মক কোনভাবেই কমছে না। আমি বারবার পুলিশের দ্বারস্থ হলেও এরা ছাড় পেয়ে যাচ্ছে। তাই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমি অনুরোধ করবো এই দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কিছু উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।'

ঘটনার খবর পেয়েই এলাকায় পৌঁছায় নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ইতিমধ্যেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্য সজল মণ্ডলের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন তোলেননি। এমনকি শাসকদলের স্থানীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকেও এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়