নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - পুলিশি হেফাজতে বিচারাধীন বন্দীর রহস্যমৃত্যুকে ঘিরে প্রশাসনের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে গণ-বিক্ষোভে সামিল হলেন এলাকাবাসী। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় রাতুয়া এলাকায়। মৃত ব্যক্তির নাম ভোলানাথ মণ্ডল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ-সহ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লাঠি উঁচিয়ে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। যদিও এখনো পর্যন্ত এ বিষয়ে পুলিশের তরফে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি ভাদো এলাকার সেতাবুদ্দিন নামে এক ব্যবসায়ীকে খুন করা হয়। ওই ঘটনার তদন্তে ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি ভোলানাথ মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় ডেকে পাঠানো হয়। পরিবারের দাবি, তিনি নিজে উপস্থিত হলে তাঁকে জানানো হয় সন্ধ্যার মধ্যে বাড়ি ফিরতে পারবেন। কিন্তু রাত প্রায় ১০টা নাগাদ আত্মীয়রা জানতে পারেন তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর নথিভুক্ত করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এরপর তাঁর সঙ্গে দেখা করার জন্য একাধিকবার চাঁচল সংশোধনাগারে যান পরিবারের সদস্যরা।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি দেখা করার উদ্দেশ্যে সেখানে পৌঁছে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর কর্তৃপক্ষ জানায়, তাঁকে জেলা সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে। পরে শুক্রবার মালদহে গিয়ে পরিবার জানতে পারে অসুস্থতার কারণে তাঁকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে রাতেই আত্মীয়রা হাসপাতালে পৌঁছালে মৃতের স্ত্রীকে মাত্র ২ মিনিটের জন্য দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তবে অসুস্থতার কারণ সম্পর্কে কোনও স্পষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি বলে পরিবারের দাবি। শনিবার সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ আবার যোগাযোগ করলে তাঁদের জানানো হয় ভোলানাথ মণ্ডল মারা গেছেন।
এই খবর পেয়ে আত্মীয়স্বজনরা শোক ও ক্ষোভে ভেঙে পড়েন। পরিবারের অভিযোগ, এক পুলিশ আধিকারিক তাঁদের বলেন সাদা খাতায় সই না করলে দেহ হস্তান্তর করা হবে না। মৃতের আগে গুরুতর শারীরিক সমস্যা ছিল না বলেও দাবি করেছেন আত্মীয়রা। এরপর ক্ষোভে ফেটে পড়ে গ্রামবাসীরা মৃতদেহ নিয়ে ১৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে অবরোধে বসেন। প্রায় কয়েকশো মানুষ রাতুয়া থানার সামনে জড়ো হন। থানা চত্বরে ঢোকার চেষ্টা করলে আইনরক্ষকদের সঙ্গে তীব্র বচসা ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।
মৃতের জামাই কঙ্কন কর্মকার বলেন, 'কোনও বিপদ হলে পরিবারকে খবর দেওয়া প্রশাসনের কর্তব্য। সেখানে আমাদেরই খুঁজে বের করতে হচ্ছে তিনি কোথায় আছেন। গোটা ব্যবস্থাই ভেঙে পড়েছে। অনেক মানুষের সঙ্গেই এমন ঘটনা ঘটে, কিন্তু সব সামনে আসে না। আমাদের ধারণা জেল বা পুলিশের নির্যাতনের ফলেই এমন পরিণতি হয়েছে। আবার চিকিৎসার গাফিলতিও থাকতে পারে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে সত্য প্রকাশ করা হোক এবং সঠিক বিচার চাই'।
অন্যদিকে মৃতের ছেলে সনাতন মণ্ডল বলেন, 'বিনা প্রমাণে একজন মানুষকে আটক রাখা হল কীভাবে? যদিও হেফাজতে রাখা হল, ১ মাস পর আমাদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হল বাবার নিথর দেহ। থানা, সংশোধনাগার ও হাসপাতাল-সব জায়গার গাফিলতির কারণেই এই মৃত্যু হয়েছে বলে আমরা মনে করছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়