নিজস্ব প্রতিনিধি , মুর্শিদাবাদ - চার বছরের জীবন, শেষ হলো রক্তাক্ত পরিণতিতে। গয়না ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল দুই মহিলার বিরুদ্ধে। আদালতের নির্দেশে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করা হল।

সূত্রের খবর, মাত্র চার বছরের এক শিশু কন্যাকে নির্মমভাবে হত্যা করে তার কানের দুল ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত দুই মহিলাকে আদালত শনিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করে। ঘটনাটি ঘটে ২০১৯ সালের ২৬ নভেম্বর, খড়গ্রাম থানার দেবগ্রাম গ্রামে। অভিযোগ অনুযায়ী, নাসিমা বিবি ও ফাইনুর বিবি নামে দুই মহিলা ওই শিশুটিকে হত্যা করে তার কান থেকে গয়না ছিনিয়ে নিয়েছিল। ঘটনার পরপরই খড়গ্রাম থানায় মামলা দায়ের করা হয় এবং পুলিশ দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ার পর আদালত তাদেরকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেয়। এর মধ্যে একজন অভিযুক্ত এতদিন জেল হেফাজতে ছিলেন, আরেকজন আগে হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পেলেও রায় ঘোষণার পর তাকে ফের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে যে, কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেবে না। কোনো অবৈধ কাজে জড়াবে না। প্রশাসন আরও জানিয়েছে, “আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে ও সকল অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা হবে।”
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়