নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - কলকাতা হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে শনিবার চ্যাংরাবান্ধায় বিজেপির ‘পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা’ শুরু হয়। যদিও কর্মসূচি শুরু হওয়ার আগেই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। তবে সব বাধা অতিক্রম করে সভামঞ্চে পৌঁছে বক্তব্য রাখেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকেই তিনি রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন এবং বাংলায় পরিবর্তনের ডাক দেন।
শনিবারের সভা ঘিরে সকাল থেকেই চ্যাংরাবান্ধায় উত্তেজনা ছিল চরমে। নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার করা হলেও বারবার বিঘ্ন ঘটে সভাস্থলে। এমন পরিস্থিতিতেও শুভেন্দু অধিকারী মঞ্চে উঠে তৃণমূল সরকারকে নিশানা করে বলেন, 'কাকদ্বীপ থেকে কোচবিহার—তৃণমূল হারবেই।' শুভেন্দুর দাবি বিজেপির ‘পরিবর্তন সংকল্প যাত্রা’ মানুষের জীবনযাত্রা ও নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে। তার কথায়, 'পরিবর্তন চাই পরিযায়ী শ্রমিকদের বাংলায় ফিরিয়ে এনে কাজ দেওয়ার জন্য। পরিবর্তন চাই নারীর সম্মান ও কন্যা সুরক্ষার জন্য।'
SIR প্রসঙ্গেও তীব্র মন্তব্য করেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, ' SIR এর পর বিহারে যেমন এনডিএ ঝড় বয়েছে বাংলায়ও এবার পরিবর্তন আসবে। মৃতদের ভোটার কার্ড, ভুয়ো নাম এবং অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্কের ওপর নির্ভর করেই টিকে রয়েছে তৃণমূল সরকার।' মঞ্চ থেকে বিরোধী দলনেতা বলেন, ' তৃণমূল SIR প্রক্রিয়ায় বাধা দিচ্ছে। কারণ ভুয়ো ভোটে, লুটের ভোটে এবং অনুপ্রবেশকারীদের ভোটে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই কেউ বাদ না পড়ুক, সেটাই চান তিনি।'
অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ' বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এবং রোহিঙ্গারা ঢুকে ন্যায্যদের রেশন ছিনিয়ে নিচ্ছে। এটা হচ্ছে খাদ্য জিহাদ। আর পরপর জমি দখল করে নিচ্ছে এটা হচ্ছে ল্যান্ড জিহাদ। এইভাবে চলতে থাকলে একটা সময় পুরো রাজ্যটাই বাংলাদেশি জেহাদীদের দখলে চলে যাবে। তাই সকলে SIR কে সমর্থন করুন। SIR হলে ৬ মাসের মধ্যে তৃণমূলের জামানা শেষ হবে।'
শাসক দলের পাশাপাশি বামেদেরকে নিশানা অমিত শাহের
গোর্খাল্যান্ড না হলে উত্তরবঙ্গকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি গোর্খাবাসীদের
ভারত সরকারের দিকে চেয়ে সুলেখার পরিবার
বাঁকুড়ার পুলিশ সুপারের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা
লালগোলা–বহরমপুর রাজ্যসড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদে নামে তৃণমূল কংগ্রেস
ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ
মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস সরকারের
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর