নিজস্ব প্রতিনিধি , দার্জিলিং - স্কুল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে মুরলিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে আগমন হল সমাজমধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টিকারী এক বর্ণময় চরিত্রের। ব্রাজিলিয়ান জুজুৎসুতে ব্ল্যাক বেল্ট প্রাপ্ত প্রখ্যাত প্রশিক্ষক মিকো হাইটোনেন। শিক্ষা-সংস্কৃতি বিনিময়ের এক অনন্য অধ্যায়ের সাক্ষী থাকল বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। তাঁর আগমনে ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অশিক্ষক কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ, আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে , মঙ্গলবার প্রধান শিক্ষক শামসুল আলমের নেতৃত্বে গেট থেকেই অতিথিকে সসম্মানে স্বাগত জানানো হয়। ফুলের মালা, বাদ্যযন্ত্রের সুরে তাঁকে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই দীর্ঘ সময় ধরে ইংরেজিতে আলাপচারিতায় অংশ নেন মিকো। অতিথিকে বাংলার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন, ফলের পানীয় দিয়ে আপ্যায়ন করা হলে তা তিনি আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করেন।

এরপর মিকো শিক্ষার্থীদের সামনে নিজের জীবনপথ, অভিজ্ঞতা, দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। সাবলীল প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে প্রাণবন্ত সংযোগ গড়ে তোলেন। পরে বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো ঘুরে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফে থেকে তাঁকে স্মারক উপহার দিয়ে সম্মান জানানো হয়। এই আন্তরিকতায় আপ্লুত হন বিদেশি কোচ।

বক্তব্য রাখতে গিয়ে মিকো জানান, 'ফিনল্যান্ডে ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সরকারি বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে। সেখানে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিজের প্রতি বিশ্বাস, পরিবারের সমর্থন, বিদ্যালয়ের সঠিক দিশা থাকলে যে কোনও ছাত্রই বড় মানুষ হতে পারে। এখানে এসে আমি খুব খুশি। কিছুদিন আগেও দক্ষিণ পশ্চিম ভারতে গিয়েছিলাম। সবাই ভীষণ ভালো, দয়ালু'।

এ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক শামসুল আলম সংবাদমাধ্যমকে জানান, 'আন্তর্জাতিক অতিথিদের আগমনে শিক্ষার্থীরা সরাসরি ইংরেজিতে কথোপকথনের সুযোগ পাচ্ছে, যা পাঠ্যবইয়ের গণ্ডি ছাড়িয়ে শেখার পরিসর বাড়ায়। অতীতে জার্মানি, নেপাল, ভুটান, ফিলিপিন্স, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, জাপানের প্রতিনিধিরা আমাদের স্কুলে এসেছেন। মিকো বাচ্চাদের শেখালেন, সাফল্যের পিছনে ছোটার দরকার নেই, নিজের ওপর বিশ্বাস রাখলে সাফল্য নিজেই ধরা দেবে'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়