নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - সাতসকালে যুবকের বাড়িতে হানা দিয়ে অবৈধভাবে তৈরি প্রসাধনী উদ্ধার করল ড্রাগ কন্ট্রোল দফতর। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বেলঘড়িয়া ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ফুলিয়াপাড়া এলাকায়। পুরো বিষয়টির তদন্ত শুরু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে বেআইনিভাবে ব্যবহারযোগ্য দ্রব্য তৈরির অভিযোগ জমা পড়ছিল ড্রাগ কন্ট্রোল দফতরে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার এলাকার বাসিন্দা কানাই চন্দ্র পালের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তল্লাশি শুরু করেন আধিকারিকরা।

সেই সময় সেখানে নেল পালিশ, বডি অয়েল, আলতা, জেসমিন হেয়ার অয়েলসহ বিভিন্ন প্রসাধনী প্রস্তুত করা হচ্ছিল। পরবর্তীতে অভিযুক্তের বাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার হয় একাধিক দাহ্য, ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিপজ্জনকভাবে মজুদ করে রাখা ছিল ওই সামগ্রী। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে প্রস্তুত দ্রব্য, কাঁচামাল, প্রসাধনী বাজেয়াপ্ত করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা রাজবংশী জানান, 'আমরা ২-৩ মাস আগে জানতে পারি যে উনি নেল পালিশের ব্যবসা শুরু করেছেন। তবে ওনার সরকারি অনুমতি নেওয়া আছে কি না, বা তিনি কীভাবে তৈরি করেন সেসব কিছুই জানা নেই। উনি এই বিষয়ে কখনও কারও সঙ্গে আলোচনা করেননি'।
ড্রাগ কন্ট্রোলের এক আধিকারিক জানান, 'এই ধরনের বেআইনি উৎপাদন আইনভঙ্গের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের পক্ষেও মারাত্মক ক্ষতিকর। তাই দ্রুত অভিযান চালিয়েছি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর সঙ্গে অন্য কেউ যুক্ত রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে'।
অন্যদিকে অভিযুক্ত কানাই চন্দ্র পাল বলেন, 'আমি স্থানীয় পঞ্চায়েত থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই এই ব্যবসা চালাচ্ছি। তবে ড্রাগ কন্ট্রোলের আলাদা লাইসেন্স প্রয়োজন হয়, সে বিষয়ে আমার কোনও ধারণা ছিল না। যদি জানতাম তাহলে নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নিতাম'।
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়