নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - রক্তে শর্করার মাত্রা সামান্য বাড়লেই কি সেটিকে ‘প্রিডায়াবেটিস’ বলা যেতে পারে? এই প্রশ্নকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় আসে বিভিন্ন চিকিৎসকদের মতামত। দিল্লির কার্ডিওলজিস্ট ডা. অলোক চোপড়া এই বিষয়ে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। তার মতে, 'প্রিডায়াবেটিস’ আলাদা কোনো রোগ নয় বরং শরীরের সতর্ক সংকেত। সাম্প্রতিক এক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে তিনি বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন।
ডা. অলোক চোপড়ার মতে, প্রিডায়াবেটিস বলতে মূলত ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সকে বোঝায়। এই অবস্থায় শরীর স্বাভাবিকভাবে চিনিকে কোষে পৌঁছে দিতে পারে না। ফলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে।তিনি জানান, এটি কোনো হঠাৎ হওয়া সমস্যা নয়, বরং ধীরে ধীরে তৈরি হয়। শরীরে অনেক আগেই পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে শুরু করে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রিডায়াবেটিসের মাত্রা কত?
রক্তে শর্করার মাত্রা কত হলে সেটিকে প্রিডায়াবেটিস বলা হয়, তা নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছে CDC। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, এই অবস্থায় HbA1c সাধারণত নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকে। এই সীমা ধরা হয়েছে প্রায় ৫.৭ শতাংশ থেকে ৬.৪ শতাংশ পর্যন্ত। ৫.৭ শতাংশের নিচে থাকলে সেটিকে স্বাভাবিক রক্তে শর্করা হিসেবে ধরা হয়। অন্যদিকে ৬.৫ শতাংশ বা তার বেশি হলে তা ডায়াবেটিস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এই অবস্থাকে অবহেলা করলে হৃদরোগ আর স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
চিকিৎসকরা কি বলছেন ?
শারীরিক এই অবস্থাকে অবহেলা করলে তা টাইপ ২ ডায়াবেটিসে পরিণত হতে পারে। তবে সঠিক সময়ে পদক্ষেপ নিলে এই অবস্থাকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। প্রতিদিনের জীবনযাত্রার পরিবর্তনই এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শরীরচর্চা আর পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজনীয়। এছাড়া মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণকেও সমান গুরুত্বপূর্ণ দিতে হবে।
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়