নিজস্ব প্রতিনিধি, মহারাষ্ট্র – লাগাতার ধর্ষণ করা হয় এক মহিলা চিকিৎসককে। এর জেরে লজ্জায় আত্মঘাতী হন নির্যাতিতা। মৃত্যুর আগে নিজের হাতের তালুতে সুইসাইড নোট লিখেছিলেন তিনি। শনিবার রাতে মূল অভিযুক্ত পুলিশ কর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ যেন রক্ষকই ভক্ষক!
সূত্রের খবর, এদিন সকালে প্রশান্ত বাঙ্কার নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। সুইসাইড নোটে তাঁর নাম ছিল। এদিন সন্ধ্যাতেই ফল্টন গ্রামীণ থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেন মূল অভিযুক্ত সাব-ইন্সপেক্টর গোপাল বাদনে। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এমনটাই জানিয়েছেন সাতারার পুলিশ সুপার তুষার দোশি।
বৃহস্পতিবার রাতে আত্মঘাতী হন মহিলা চিকিৎসক। মহারাষ্ট্রের ফল্টন উপজেলা হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন তিনি। তাঁর বাঁ হাতে লেখা ছিল, “আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী পুলিশ ইনস্পেক্টর গোপাল বাদনে। আমাকে চারবার ধর্ষণ করেছেন তিনি। পাঁচ মাস ধরে আমাকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে তিনি নির্যাতন করেছেন।“ এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই সাসপেন্ড করা হয়েছিল গোপালকে। এবার তাঁকে গ্রেফতার করা হল।
হলুদ সতর্কতা জারি দিল্লিতে
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানি
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু পুলিশের
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট আপ সাংসদের
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
ঘটনার তদন্ত শুরু পুলিশের
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা
যোগীর থেকে অনুপ্রেরণা
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় উন্নতি ভারতের
শৈত্যপ্রবাহের লাল সতর্কতা জারি
বিশ বাঁও জলে ভারত-আমেরিকার বাণিজ্যচুক্তি
কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে চারিদিক
কর্মীদের ধর্মঘটে হুঁশ ফিরল কেন্দ্রের
পলাতক ফার্মের মালিকের বিরুদ্ধে তল্লাশি শুরু পুলিশের
ভারতীয় নাগরিকদের সতর্কবার্তা দূতাবাসের
পরিবারের সঙ্গে মাত্র ১০ মিনিট দেখা করার অনুমতি
সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল ভিডিও
‘নো বোট নো ভোট’
নিউ ইয়র্কের জেলে বন্দি মাদুরো