নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - মাঘী পূর্ণিমা তিথিতে রাজরাজেশ্বরী, মাতা ত্রিপুরেশ্বরী পুজোকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী মেলা। বাংলার জনপদ, লোকসংস্কৃতির এক অনন্য মিলনস্থল চাকদহ ব্লকের প্রিয়নগর। কালীগঞ্জ বাজার সংলগ্ন গঙ্গা তীরে প্রতি বছরই এই পুজো, মেলাকে ঘিরে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , পুরাণ-তন্ত্র মতে মা রাজরাজেশ্বরী ও মাতা ত্রিপুরেশ্বরী মূলত দেবী দুর্গার পরম রূপ। এই পুজো অশুভ শক্তি বিনাশ, জীবনে সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। দশমহাবিদ্যার অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপ হিসেবে এই দেবীর আরাধনা প্রচলিত। পুজোর বয়স নিয়ে নানা মত থাকলেও, জনশ্রুতি অনুযায়ী প্রায় ১৪০ বছর বা তারও আগে এই পুজোর সূচনা হয়।

কথিত আছে, দেশের মধ্যে কাশী, কালীগঞ্জ, চাকদহ-এই তিন জায়গায় পূজিত হন দেবী রাজরাজেশ্বরী। জনশ্রুতি অনুযায়ী, রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের মা রাজরাজেশ্বরী দেবীর পুজো দেখতে কাশী যেতে চাইলেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে কৃষ্ণচন্দ্র স্বপ্নাদেশ পান কালীগঞ্জ বাজার এলাকায় গঙ্গার পাড়ে তাঁর মূর্তি রয়েছে।
সেই থেকেই কৃষ্ণচন্দ্রের উদ্যোগে তৈরি মন্দিরে পূজিত হন মাতা রাজরাজেশ্বরী। প্রত্যেক বছর এই পুজোকে কেন্দ্র করে হাজার হাজার লোক ভিড় জমান। বসে ঐতিহ্যবাহী মেলাও। একটা সময় মেলায় যাত্রা, বায়োস্কোপ দেখানোর আয়োজন হলেও সময়ের পরিবর্তনে সেসব এখন অতীত। তবে পুজো উপলক্ষ্যে প্রসাদ বিতরণ করে থাকেন উদ্যোক্তারা।

এ প্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা বিপুল সরকার জানান, 'বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'ইছামতি' উপন্যাসে এই মেলার বর্ণনা বিস্তারিতভাবে করা হয়েছে। দেবীর আশীর্বাদ ছাড়াও এখানে শ্রীচৈতন্য দেবের আগমনের ঐতিহ্য রয়েছে। একদা যখন তিনি শ্রীহট্ট বা পুরীর পথে যাচ্ছিলেন তখন এখানে এক ভক্তের বাড়িতে বিশ্রাম নিয়েছিলেন। ওনার পদধূলিতে আমরা পুণ্যিত'।
শাস্ত্রমতে সমাজের ভিন্ন ভিন্ন বাস্তবতা, নৈতিকতা ও সামাজিক কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মোট আট ধরনের বিবাহ প্রচলিত ছিল
ভবিষ্যতেও এমন কর্মসূচি চালু থাকবে
এই স্মরণই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তাঁর অবদান মনে করিয়ে রাখবে
আতঙ্কেই ভুগছেন আমেরিকাবাসী
শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক
মোদির সঙ্গে ফোনালাপের পরই বাণিজ্যচুক্তি
মোদির ভূয়সী প্রশংসা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর
শেয়ার বাজারের উত্থানে আনন্দে আত্মহারা বিনিয়োগকারীরা