নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - নাট্যাচার্য শিশিরকুমার ভাদুড়ীর যোগ্য শিষ্য প্রখ্যাত অভিনেতা পঞ্চানন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুদিবসে অনুষ্ঠিত হল স্মরণানুষ্ঠান। এই প্রয়াস শুধু একজন শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধাই নয়, বরং বাংলা নাট্যসংস্কৃতির প্রতি এক নীরব দায়বদ্ধতার প্রকাশ। এই স্মরণই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তাঁর অবদান মনে করিয়ে রাখবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , রানাঘাটের কৃতী নাট্যশিল্পী পঞ্চানন বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯১৪ সালের ২৫ আগস্ট। অল্প বয়সেই পিতৃহারা হয়ে মামার বাড়িতে মানুষ হন তিনি। শৈশব থেকেই নাট্যভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত হন। সতু সেন, নরেশচন্দ্র মিত্রের অধীনে ‘মহানিশা’ ও ‘সাজাহান’ নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর মঞ্চজীবনের সূচনা।

পরে শিশিরকুমার ভাদুড়ীর নির্দেশনায় নব নাট্যমন্দিরে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বিজয়া’য় পরেশের চরিত্রে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘যোগাযোগ’ নাটকে অভিনয় করেন। মঞ্চের পাশাপাশি বিদেশেও বিস্তৃত হয় তাঁর অভিনয় যাত্রা। রাশিয়ায় ‘লেনিন’ নাটকে অভিনয় করেন তিনি। মোট ২৬টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
উৎপল দত্ত, অনুপ কুমার, কোমল মিত্তির, তুলসী চক্রবর্তী, ছবি বিশ্বাসের মতো বিশিষ্ট শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। বেতারেও বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের সঙ্গে তাঁর অভিনয় উল্লেখযোগ্য। নাট্যসম্রাট স্বপন কুমারের সঙ্গেও মঞ্চ ভাগ করেছেন। বুধবার তাঁর ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করলেন ছেলে বাপি বন্দ্যোপাধ্যায়।

বাপি বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, 'বাবার অবদান যাতে মানুষ মনে রাখে, সেই উদ্দেশ্যেই মৃত্যু, জন্মদিন দুটোই পালন করি। দুঃখের বিষয়, এত বড় অভিনেতা হয়েও তিনি প্রাপ্য স্বীকৃতি পাননি। যতদিন বেঁচে থাকব, এই শ্রদ্ধানুষ্ঠান চালিয়ে যাব। ভগবান আর বাবা-মায়ের আশীর্বাদ সব সময় সঙ্গে থাকুক'।
শাস্ত্রমতে সমাজের ভিন্ন ভিন্ন বাস্তবতা, নৈতিকতা ও সামাজিক কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মোট আট ধরনের বিবাহ প্রচলিত ছিল
কালীগঞ্জ বাজার সংলগ্ন গঙ্গা তীরে প্রতি বছরই এই পুজো, মেলাকে ঘিরে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়
ভবিষ্যতেও এমন কর্মসূচি চালু থাকবে
আতঙ্কেই ভুগছেন আমেরিকাবাসী
শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক
মোদির সঙ্গে ফোনালাপের পরই বাণিজ্যচুক্তি
মোদির ভূয়সী প্রশংসা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর
শেয়ার বাজারের উত্থানে আনন্দে আত্মহারা বিনিয়োগকারীরা