নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - হাতে গোনা আর কয়েকটা দিন তারপরেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই ময়দানে নেমে পড়েছে সমস্ত রাজনৈতিক দল। দেওয়াল লিখন থেকে শুরু করে পোস্টারিং প্রচারের কাজে কোনো খামতি রাখছে না কেউ। কিন্তু এর মাঝেই মাথাভাঙ্গা শহরে পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে শাসক - বিরোধী রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে।
ঘটনার সূত্রপাত মাথাভাঙ্গা শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডে। শাসক দলের অভিযোগ, সোমবার রাতে ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন দেওয়ালে তাদের লাগানো দলীয় পোস্টারগুলি রাতের অন্ধকারে ছিঁড়ে ফেলেছে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। পরাজয়ের ভয়েই বিজেপি এই ধরনের নোংরা রাজনীতি শুরু করেছে বলে দাবি শাসক শিবিরের।
স্থানীয় তৃণমূল সহ সভাপতি কানু মণ্ডল বলেন, 'ভোটের দিনক্ষণ এখনো ঘোষণা হয়নি তার মধ্যে এইভাবে পোস্টার ছেঁড়া শুরু হয়েছে। এলাকায় কার এত বাড়বাড়ন্ত সেটাই বুঝতে পারছি না। যেহেতু বিরোধী দল হিসেবে আমরা একমাত্র বিজেপিকেই জানি এই মুহূর্তে তাই এই ঘটনার পিছনে তাদের দায় বলেই মনে করছি। এই বিষয়ে থানাতেও অভিযোগ জানানো হবে আমাদের পক্ষ থেকে।'
পাল্টা সুর চড়িয়েছে বিজেপিও। শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, তৃণমূল ভয় পেয়েছে তাই সমস্ত পোস্টার ছিঁড়ে দিচ্ছে। রাজ্যবাসী জেনে গেছে যে আগামী দিনে বিজেপি ক্ষমতায় আসতে চলেছে। এখন এই সামান্য পোস্টারেই ভয় পাচ্ছে। তাহলে বিজেপি কর্মীরা মাঠে নামলে কি করবে।
যদিও দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে। বিজেপির দাবি, আমাদের দল আইন-শৃঙ্খলা মানতে জানে। প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের কাজ। আমাদের নেতৃত্ব যেরকম নির্দেশ দেয় সেই মতনই আমরা কাজ করি। পোস্টার ছিঁড়ে দেওয়া বা মারপিঠ করা আমাদের কাজ নয়।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়