নিজস্ব প্রতিনিধি , কাসৌলি - ভারতের সুরা জগতে এক অনন্য নাম—"ওল্ড মঙ্ক" । সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে এই ডার্ক রাম শুধু একটি পানীয় নয়, অনেকের কাছে এটি নস্টালজিয়ার অংশ। বিজ্ঞাপনহীন থেকেও কেবল স্বাদ, ঐতিহ্য ও মুখে মুখে প্রচারে “ওল্ড মঙ্ক” আজও এক কিংবদন্তি ব্র্যান্ড। কিন্তু কিভাবে শুরু হয়েছিল এই জনপ্রিয় মদের যাত্রা?
ওল্ড মঙ্কের উৎপত্তি ১৯৫৪ সালে, মোহন মিকিন লিমিটেড নামের একটি ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে। তবে , কোম্পানিটির শিকড় আরও পুরোনো—১৮৫৫ সালে ব্রিটিশ উদ্যোক্তা এডওয়ার্ড ডায়ার হিমাচল প্রদেশের কসৌলিতে ভারতবর্ষের প্রথম ব্রিউয়ারি প্রতিষ্ঠা করেন। স্বাধীনতার পর ব্যবসাটি অধিগ্রহণ করেন এন. এন. মোহন, এবং তাঁর দুই পুত্র—ভেদ মোহন ও কপিল মোহন—এই পারিবারিক প্রতিষ্ঠানকে নতুন দিশা দেন।
কর্নেল কপিল মোহনের নেতৃত্বেই জন্ম নেয় "Old Monk " ব্র্যান্ড। ইউরোপীয় রাম ও কনিয়াকের স্বাদ অনুসরণ করে ভারতীয় স্বাদের উপযোগী করে তৈরি হয় এই বিশেষ ডার্ক রাম। ওক কাঠের পিপেতে সাত বছর বা তার বেশি সময় ধরে পরিপক্ব হওয়ার ফলে এতে আসে মসৃণতা ও গভীর রঙ। এর ঘ্রাণে মিশে থাকে ভ্যানিলা, কফি ও চকলেটের আভাস—যা একে অন্য রাম থেকে আলাদা করে।
প্রথম দিকে ওল্ড মঙ্ক শুধুমাত্র ভারতীয় সেনাবাহিনীর ক্যান্টিনে সরবরাহ করা হতো। কিন্তু দ্রুত সাধারণ মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে এর জনপ্রিয়তা। আশির ও নব্বইয়ের দশকে এটি হয়ে ওঠে ভারতের সর্বাধিক বিক্রিত রাম। উল্লেখযোগ্য বিষয়, এই ব্র্যান্ড কখনোই বিজ্ঞাপন দেয়নি—এর খ্যাতি পুরোপুরি নির্ভর করেছে ভোক্তাদের ভালোবাসা ও মুখে মুখে প্রচারের ওপর। বোতলের সন্ন্যাসী-আকৃতির নকশা ব্র্যান্ডের নাম ও চরিত্রকে প্রতিফলিত করে, যা সময়ের সঙ্গে এক অনন্য পরিচয়ে পরিণত হয়।
আজও "ওল্ড মঙ্ক" শুধু একটি রাম নয়, বরং ভারতীয় জীবনের অংশ—বন্ধুত্ব, আড্ডা ও স্মৃতির প্রতীক। প্রতিযোগিতার ভিড়েও এর প্রতি মানুষের আবেগ ও ভালোবাসা অবিচল ।
আজকের সোনার দর কত জেনে নিন
নতুন দর ঘিরে বাজারে বাড়ল নজর
দেখে নিন আজকের বাজারমূল্য
জেনে নিন সোনার আজকের বাজারমূল্য
ক্রেতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর
মানচিত্রে নতুন পরিচয়, ২১টি এলাকা-সহ ৪ গিরিপথ ও হ্রদও তালিকায়
সেনেটে পাস রাশিয়া-বিরোধী বিল, চিন-ভারত-জাপান-সহ একাধিক দেশকে ঘিরে বাড়ছে চাপ
জেদ্দায় যৌথ সমঝোতার জল্পনা, ভারত-পাক সংঘাত হলে বদলাতে পারে কূটনৈতিক হিসাব
কমবয়সিদের নিরাপত্তায় আদালতের রায়
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের