নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা – বর্বরতা চরমে পৌঁছে গিয়েছে বাংলাদেশে। ময়মনসিংহে দীপু চন্দ্র দাস নামের এক হিন্দু যুবককে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, দীপুর পোড়া মৃতদেহ নিয়ে উল্লাস করে কট্টরপন্থীরা। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নিন্দার ঝড় উঠেছে বিশ্বজুড়ে। দীপুকে নৃশংস হত্যার বর্ণনা দিলেন এক প্রত্যক্ষদর্শী।
সংবাদমাধ্যমে প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, “শুধু হিন্দু হওয়ার কারণে নয়। দীপু কঠোর পরিশ্রমী ছিলেন। তাঁকে বহু মানুষ ঈর্ষা করতেন। এই কারণেও তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। যাঁরা কারখানায় কাজ পাননি, তাঁরা গুজব ছড়িয়েছিলেন যে দীপু ধর্ম অবমাননা করেছেন। প্রথমে দীপুকে অফিসে ডাকা হয়েছিল। এরপর তাঁকে জোর করে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হয়। কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে সেখানে বহিরাগতরাও ছিলেন। ইস্তফা দিতেই দীপুকে উন্মত্ত জনতার হাতে তুলে দেওয়া হয়।“
তিনি আরও বলেন, “কারখানার বাইরে দীপুকে নির্মমভাবে মারধর করা হয়। ওরা মুখ, বুক, সব জায়গায় লাঠি দিয়ে আঘাত করছিল। দীপুরে গোটা শরীর থেকে রক্ত ঝরছিল। বেধড়ক মারধরের জেরে মৃত্যু হয় দীপুর। তারপর তাঁর দেহটিকে অন্তত ১ কিলোমিটার টেনে নিয়ে গিয়ে একটি গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এবং অগ্নিসংযোগ করে দেওয়া হয়। উপস্থিত জনতা কট্টরপন্থী ছিলেন। আমরা কাছেই দাঁড়িয়ে ছিলাম, কিন্তু একটাও কথা বলার সাহস পাইনি।“
গবেষণা বিষয়ক তথ্য ফাঁস হওয়া নিয়ে সংশয় থাকছে
রুশ তেল কেনার মেয়াদ শেষ হয়ে এসেছে ভারতের
প্রায় তিন দশক পর মুখোমুখি হয়েছে ইজরায়েল ও লেবানন
শুক্রবার বৈঠকে বসতে চলেছে ইসরায়েল - লেবানন
পাকিস্তানে তীব্র জ্বালানি সঙ্কট
নতুন করে যুদ্ধের ঘন কালো মেঘ ছেয়ে গেছে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে
ইতিমধ্যেই হরমুজে নামানো হয়েছে মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ
একই ওষুধ দিয়ে একাধিক শিশুকে ইনজেকশন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে এবার নয়া মোড়
আমেরিকাকে সাহায্য করার অভিযোগ উঠেছে এই দেশগুলির বিরুদ্ধে
হরমুজ অবরোধের সিদ্ধান্তকে কঠোরভাবে বাস্তবায়িত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে
জ্বালানি সঙ্কট মেটানোর জন্য চীনের কাছে হরমুজ প্রণালী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
কিউবার অর্থনৈতিক পরিকাঠামো একেবারেই ভেঙে পড়েছে
হরমুজ নিয়ে ফের শক্তিশালী অবস্থান বজায় রাখছে ইরান
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়