নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা – শুক্রবার বিকেলে বঙ্গে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই নিয়ে গত সাড়ে ৩ মাসের মধ্যে তিনবার বাংলায় এলেন প্রধানমন্ত্রী। দমদম সেন্ট্রাল জেল ময়দানে সভা থেকে রাজ্যের শাসক দলকে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী।
শাসক দলকে তুলোধোনা করে মোদি বলেন, “এখান থেকে অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে হবে কি না? কে তাড়াবে? বিজেপি তাড়াবে। বিজেপিকে জেতান। বিজেপিকে ভোট দিন। অনুপ্রবেশকারীরা বাংলা ছেড়ে পালাবে। ভারতের কাছে সম্পদ কম। যুব সমাজকে উপার্জন দিতে হবে, নাগরিকদের সুবিধা দিতে হবে। অনুপ্রবেশকারীরা রোজগার কেড়ে নিচ্ছে। নাগরিকদের অধিকারে ভাগ বসাচ্ছে। মা-বোনেদের সম্মানে হাত দিচ্ছে। তৃণমূল অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দিচ্ছে। ভোটব্যাঙ্কের জন্য প্রশ্রয় দিচ্ছে। জমি কেলেঙ্কারি হচ্ছে। কৃষকের জমি কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, আদিবাসীদের জমি দখল করা হচ্ছে। আমি লালকেল্লার প্রাচীর থেকেও বলেছি, অনুপ্রবেশকারীদের যেতেই হবে। যারা নকল কাগজপত্র নিয়ে এখানে আছে, তাদের এখান থেকে যেতেই হবে। এই ভাবে তৃণমূল সরকারকেও এখান থেকে বিদায় নিতে হবে।“
সরকারি টাকা তৃণমূলের লুটের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলার জন্য যে টাকা আমরা সরাসরি রাজ্য সরকারকে পাঠাই, তার বেশির ভাগ লুট হয়ে যায়। আপনাদের জন্য খরচ হয় না। টিএমসি ক্যাডারের জন্য খরচ হয়। এই জন্য জনকল্যাণে পিছিয়ে পড়ছে পশ্চিমবঙ্গ। আগে ত্রিপুরা, অসমে এই হাল ছিল। যবে থেকে বিজেপি সরকার এসেছে গরিব কল্যাণ যোজনার লাভ ওই দুই রাজ্য পাচ্ছে।“
আগামী ৮ মার্চ রায়দিঘিতে সভা করতে চলেছে অভিষেক
ত্রিমুখী যুদ্ধে অগ্নিগর্ভ মধ্যপ্রাচ্য
আগামী ৯ মার্চ পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছতে পারে কমিশনের ফুল বেঞ্চ
ভবানীপুর থেকে ৬০ হাজার নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ মমতার
ভারত-কানাডার বন্ধুত্ব
স্বচ্ছ ভোটার তালিকার দাবি কংগ্রেস নেতার
ইরানের সঙ্গে আমেরিকা-ইজরায়েলের যুদ্ধ তুঙ্গে
দোলের পর ৮৪টি তফসিলি অধ্যুষিত বিধানসভায় বিশেষ প্রচার গাড়ি যাবে
সপ্তাহের প্রথম দিনই রক্তাক্ত শেয়ার বাজার
প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পরেও নাম বাদের অভিযোগ
উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর
১৬ থেকে ১৮ তারিখের মধ্যে তলব ইডির
বেজায় জটিল মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
রোদ ঝলমলে আকাশ থাকবে
কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অভিষেক
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর