নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - এক ব্যক্তির ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় নদিয়ার পলাশীপাড়া থানার ঝাউর ফুলতলা এলাকায়। শনিবার সকালে গাছ পালায় ঘেরা একটি স্থান থেকে উদ্ধার হয় ওই মৃতদেহ টি। খুন নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে অন্য কোনও কারণ , তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
সূত্রের খবর , শনিবার সকালে নদিয়ার পলাশীপাড়া থানার ঝাউর ফুলতলা এলাকায় এক ব্যক্তির ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। মৃত ব্যক্তির নাম জাহাঙ্গীর মণ্ডল। বয়স ৪৫। ঘটনার পর দেহটি উদ্ধার করে পাঠানো হয় ময়নাতদন্তে। পাশাপাশি খুনের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পলাশীপাড়া থানার পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে , জাহাঙ্গীর মণ্ডল মূলত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। প্রায় দশ বছর আগে পলাশীপাড়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় এসে বাড়ি তৈরি করে পাকাপাকি ভাবে বসবাস শুরু করেন। হকারির কাজ করতেন তিনি। বর্তমানে তার স্ত্রী দিল্লিতে দুই মেয়ে সহ এক ছেলেকে নিয়ে থাকেন। বড় মেয়ে রুমা ঘোষের সঙ্গে পলাশীপাড়াতেই থাকতেন জাহাঙ্গীর। এরপর শুক্রবার রাতে জাহাঙ্গীর মণ্ডল গান শুনতে যাচ্ছেন বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন তিনি। পরিবার খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি।
শনিবার সকালে ঝাউর ঝুলতলা এলাকার একটি গাছপালা ঘেরা জায়গায় স্থানীয় বাসিন্দারা এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির রক্তাক্ত সহ ক্ষতবিক্ষত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর দেওয়া হয় পলাশীপাড়া থানায়। পুলিশ এসে দেহটি উদ্ধার করে প্রীতিময়ী গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর মৃত ব্যক্তির ছবি নিয়ে খোঁজ শুরু করে পুলিশ। অবশেষে রুমা ঘোষ এসে দেহটি তার বাবা জাহাঙ্গীর মণ্ডলের বলে শনাক্ত করেন। মেয়ের দাবি , তার বাবার মাথায় গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে , যা থেকেই স্পষ্ট যে তাকে খুন করা হয়েছে।
রুমা ঘোষ বলেন , “বাবার সঙ্গে কারোর কোনও শত্রুতা ছিল না। মাথায় যে রকম গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে তা দেখে নিশ্চিতভাবে বলা যায় , তাকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। আমার বাবা নিজে থেকে মরে যায়নি , তাকে খুন করা হয়েছে। আমি দোষীদের কড়া শাস্তি চাই।”
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়