নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - ওয়াকফ আইন ও OBC তালিকা নিয়ে অসন্তোষের জেরে সংখ্যালঘু সমাজে অস্বস্তি বাড়ছে। সাসপেন্ডেড বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের প্রতি সমর্থন জানিয়ে এবার সরব ডেবরার তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর আরও এক ‘হুমায়ুন’। একই সুরে ফুঁসছেন ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকিও। তার তীব্র অভিযোগ, 'পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানদের মন ভেঙে গেছে। আমরা অন্ধভাবে বিশ্বাস করেছি তৃণমূল সরকারকে।'
বছরের পর বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনের বিরোধিতা করেছিল তৃণমূল। এখন রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় ‘উমিদ’ পোর্টালে ওয়াকফ সম্পত্তির তালিকা আপলোডের নির্দেশ দিয়েছে। সেই সিদ্ধান্তেই ফুঁসে উঠেছেন মুসলিম সমাজের একাংশ। ভরতপুরের সাসপেন্ডেড তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের পর এবার শাসক দলের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠলেন ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ' গিরগিটির কথা বলুন তাও ওদের কথা ভাববো কিন্তু রাজনীতির মানুষের কথা বলবেন না।'
মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে ত্বহা সিদ্দিকি বলেন, ' মুসলিমদের মন সম্পূর্ণ ভেঙে গেছে আসি ভাঙ্গা মন কিভাবে জোড়া লাগাবে সেটা মমতা বন্দোপাধ্যায় এখন ভাবুক। বাংলার যারা মুসলিম নেতা আছে তারা বলতে পারে না। ওনাদের কেন ভোট দেবো শুধু মন্ত্রী হয়ে অফিসে বসে থাকার জন্য।' তিনি আরও দাবি করেন, ' এই সরকারকে যারা ক্ষমতায় আনলো সংখ্যালঘুরা তাদের ডানা ছেটে দিয়ে বসিয়ে দিলো। বদলে সিপিএমের ‘হার্মাদ’দের দলে জায়গা করে দিচ্ছে।'
ত্বহা সিদ্দিকি আরও বলেন, 'শওকত মোল্লা এখন নওশাদের ছায়া দেখলেও ভয় পাচ্ছে। ভাঙ্গরে রক্তদান শিবিরে ৩০-৩৫ হাজার মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করেছে—মানুষ ক্ষুব্ধ। ভাঙ্গর-ক্যানিঙে যদি জয় চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শওকতকে সরাতেই হবে।'
হুমায়ুন কবীর নিজের দল ঘোষণা ও মুসলিম ভোট ব্যাঙ্কে প্রভাব ফেলার কথা বলছেন কিন্তু ত্বহার অবস্থান আলাদা। তার সাফ মত, 'মসজিদ আলাদা, রাজনীতি আলাদা। কোনো নেতা শুধু মুসলমানদের হয়ে কথা বললে তিনি প্রকৃত মুসলিম নন যেমন কোনো নেতা শুধু হিন্দুদের হয়ে কথা বললে তিনি প্রকৃত হিন্দু নন। যারা মানুষের পক্ষে তারাই মানুষ।'
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
রায়গঞ্জের মঞ্চে বিস্ফোরক রাহুল গান্ধী
বুথ দখল ঘিরে সতর্কবার্তা মমতার
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়