নিজস্ব প্রতিনিধি , মুম্বই - সরকারি চাকরি করত ছেলে। তার মৃত্যুর পর সেই চাকরির দাবিদার ছিলেন স্ত্রী। এমনকি গ্র্যাচুইটির টাকাও পেয়েছেন স্ত্রী। যা সহ্য করতে না পেরে ক্ষোভের বশে বৌমাকে খুন করলেন ৬০ বছরের বৃদ্ধা। শনিবার অভিযুক্ত মহিলা-সহ তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
সূত্রের খবর , মৃতদেহ পাওয়ার পরই মহিলার নিখোঁজ অভিযোগ আসে পুলিশের কাছে। থানের কল্যাণ এলাকায় একটি সেতুতে এক মহিলাকে জখম অবস্থায় পাওয়া যায়। মাথায় ও মুখে আঘাতের চিহ্ন ছিল। যুবতীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসক জানায় আগেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। এরপর মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। পরের দিনই মহিলা পুত্রবধূর নামে নিখোঁজ ডায়েরি করায় মৃতদেহ শনাক্ত করানো হয়। মহিলা স্বীকার করেন যে এটি তার পুত্রবধূ। এরপরই তদন্তে নেমে অবাক রহস্য ফাঁস করে পুলিশ।
তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে , ছেলের গ্র্যাচুইটির অর্থ বৌমার কাছে দাবি করেছিলেন লতা। সেই নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মন কষাকষি চলছিল দু'জনের। এরপর ছেলের চাকরি পুত্রবধূ পাবেন শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে যান বৃদ্ধা। শাশুড়ির দাবি ছিল , ১৫ বছরের নাতি যখন সাবালক হবে ওই চাকরি সে করবে। তাতে রাজি না হয়ে রূপালি জানান, সংসার চালাতে হলে এখনই তাঁকে চাকরি করতে হবে। ওই বিবাদের জেরে জগদীশ নামে এক বন্ধুকে দিয়ে বৌমাকে খুন করায় শাশুড়ি। এরপর রাস্তার ধারে সেতুর কাছে ফেলে পালিয়ে যায়। লতা ও জগদীশকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বেজায় জটিল মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
বেজায় জটিল মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও
যুদ্ধের কালো মেঘ মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে
ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য থানেতে
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
অভিযুক্ত যুবতীর খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
সামনেই রাজ্যসভা নির্বাচন
এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে সতর্কবার্তা
বেজায় চটেছেন যাত্রীরা
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
বিচারকের বাসভবনে শুনানি
সংবাদিক বৈঠক করেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর