নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - প্রকৃতিতে কিছু প্রাণী রয়েছে যাদের ক্ষমতা যেন কল্পনারও বাইরে। এমনই এক অজানা প্রাণী হলো টারডিগ্রেড (Tardigrade)। যাকে বাংলায় অনেক সময় "জল ভালুক" বলা হয়। এই ছোট্ট , মাইক্রোস্কোপিক প্রাণীটি বিজ্ঞানীদের কাছে বিস্ময়ের নাম।
টারডিগ্রেড কী?
টারডিগ্রেড এক ধরনের মাইক্রো - অর্গানিজম , যাদের আকার সাধারণত ০.৩ থেকে ০.৫ মিলিমিটার। দেখতে কিছুটা ভল্লুকের মতো হলেও এরা অনুবিক্ষণিক প্রাণী। এরা জলের মধ্যে বাস করে।
এদের সবচেয়ে বিস্ময়কর বৈশিষ্ট্য কী?
টারডিগ্রেডের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এদের চরম পরিবেশে বেঁচে থাকার ক্ষমতা। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে , এটি মাইনাস ২৭২ ডিগ্রি সেলসিয়াস (absolute zero) তাপমাত্রায় বেঁচে থাকতে পারে।আবার ১৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রাতেও টিকে থাকতে পারে। এটি উচ্চমাত্রার বিকিরণ , ভ্যাকুয়াম , এমনকি মহাকাশেও টিকে থাকতে পারে।

কীভাবে টিকে থাকে?
টারডিগ্রেড একটি বিশেষ অবস্থায় যেতে পারে যাকে বলে cryptobiosis। এই অবস্থায় তারা নিজেদের শরীরের জল প্রায় সম্পূর্ণ শুষে নেয় এবং একটি শুকনো, অবিশ্বাস্যভাবে সহনশীল অবস্থায় থাকে। যেটা হাজার বছর পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে।
টারডিগ্রেড ও মহাকাশ গবেষণা
২০০৭ সালে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির এক মিশনে টারডিগ্রেডকে মহাকাশে পাঠানো হয়। আশ্চর্যের বিষয় হলো , তারা বেঁচে ফিরে আসে। এমনকি কিছু কিছু টারডিগ্রেড বংশবিস্তারেরও ক্ষমতা দেখায় মহাকাশ ফেরার পর।
টারডিগ্রেড থেকে ভবিষ্যতের বিজ্ঞান কী শিখতে পারে?
টারডিগ্রেডের এই ক্ষমতা বিজ্ঞানীদের জন্য নতুন চিকিৎসা , মহাকাশ ভ্রমণ সহ জীবন রক্ষাকারী প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পথ খুলে দিচ্ছে। ভবিষ্যতে হয়তো মানুষের শরীরেও এধরনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করা সম্ভব হবে।
কিন্তু চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় তৈরি হয়েছে এক বিরাট ঘাটতি
আগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই এই অত্যাধুনিক সাবমেরিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন হতে পারে
মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মধ্যে তাৎক্ষণিক অর্থ লেনদেনকে সহজ নিরাপদ ও একক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর