নিজস্ব প্রতিনিধি, ওয়াশিংটন - চরম অর্থনৈতিক সংকট ও দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধির প্রতিবাদে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে বিদ্রোহের আগুনে জ্বলছে ইরান। চরমে ইরান এবং আমেরিকার সংঘাত। পশ্চিম এশিয়ার জলসীমায় প্রবেশ করেছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ। এই আবহে মার্কিন সেনার মহড়া শুরু। তবে এখনই কোনও সামরিক পদক্ষেপ হবে না বলে জানিয়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এদিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, “ইরানের বিরুদ্ধে এখনই কোনও সামরিক পদক্ষেপ করা হবে না। প্রথম মেয়াদেই আমি আমেরিকার সেনাবাহিনীকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলেছিলাম। শক্তিশালী জাহাজ সহ আমাদের একটা দল ইরানের দিকে এগোচ্ছে। তবে আশা করি সেগুলো ব্যবহার করতে হবে না। ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। বিশেষ পরিকল্পনাও রয়েছে।“
বলে রাখা ভালো, ইরানে আব্রাহাম লিঙ্কন বিমানবাহী রণতরী এবং তার সঙ্গে থাকা স্ট্রাইক গ্রুপ পাঠিয়েছেন ট্রাম্প। সম্প্রতি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, “ইরানের পথে আমাদের অনেক জাহাজ আছে। সেখানে একটি বিমানবাহী রণতরীও আছে। আমি চাই না কিছু ঘটুক, তবে কী হয় তা আমাদের দেখতে হবে। আগামী দিনগুলিতে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আক্রমণের জন্য আমেরিকা এই অঞ্চল জুড়ে প্রস্তুতি সম্পন্ন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।”
অশান্ত মধ্যপ্রাচ্যের আঁচ গোটা বিশ্বে
তেজস্ক্রিয় বিকিরণ নিয়ে শঙ্কা
মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে
ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার আমেরিকার
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যুদ্ধ
নিজেদের বিমানকেই আক্রমণ
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ দালাল স্ট্রিটে
উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর
অপারেশন সিঁদুরে ধ্বংস হয়েছিল পাকিস্তানের বিমানঘাঁটি
ঘাত-প্রত্যাঘাত চলছে পশ্চিম এশিয়ায়
প্রতি মুহূর্তে বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
লেবানন জুড়ে হামলা ইজরায়েলের
খামেনেইয়ের মৃত্যুর বদলা নিতে মরিয়া তেহরান
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আঁধার
হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর