নিজস্ব প্রতিনিধি , মালদহ - জমি বিবাদকে কেন্দ্র করে গৃহবধূকে মারধর। ইংলিশ বাজার থানার পুলিশকে একাধিকবার জানানোর পরেও কোনো লাভ না হওয়ায় মালদহ জেলা আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ওই মহিলা। বর্তমানে আদালতে নির্যাতিতার মামলা চলছে।
স্থানীয় সূত্রের খবর , ইংলিশ বাজার থানার চন্ডিপুর এলাকার বাসিন্দা মামনি খাতুন। তার একটি ১৩ শতক জমি রয়েছে। মামনি খাতুনের প্রতিবেশী হালিমা বিবি, নাসিমা বিবি সহ বেশ কয়েকজন সেই জমি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে। মামুনি খাতুন সেই জমি না দিয়ে চাইলে বৃহস্পতিবার তাকে আর তার পরিবারের সদস্যদের মারধর করে। তাছাড়াও বাড়িঘর ভাঙচুর করে প্রাণে মারার হুমকিও দেয়। এমনকি জমিতে থাকা বেশ কয়েকটি আম গাছও কেটে দেয় অভিযুক্তরা। মামনি খাতুনের মারধরের ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। বর্তমানে তিনি মালদহ জেলা আদালতে দ্বারস্থ হয়েছে।
গোটা বিষয় নিয়ে আইনজীবী শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, "এই জমিটা একটা বাস্তু সম্পত্তি। এবার এখন যেহেতু জমির দাম অনেকটাই বেড়ে গেছে তাই অভিযুক্তরা বাড়িঘর ভাঙচুর করছে, হুমকিও দিচ্ছে। একাধিকবার পুলিশকে জানিয়েও লাভ হয়নি সেই কারণেই আজ মালদহ জেলা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে। আমরা আদালতের কাছে ন্যায়বিচার আর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছি।"
তৃণমূলের নির্দেশেই এই বিক্ষোভ বলে অভিযোগ বিজেপির
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়