নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - রাতের অন্ধকারে কালবৈশাখীর প্রকোপে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেল মহিলা সমবায় সমিতি। বিধ্বংসী এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঘটনাটি ঘটেছে হাসনাবাদ ব্লকে। এর ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন কর্মীরা। বর্তমানে প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন তাঁরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , শিমুলিয়া কালীবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত ইছামতী মহিলা সংঘ। সঞ্চয় ও ঋণ প্রদানের পাশাপাশি কয়েক বছর ধরে এটি অঞ্চলের নারীদের স্বনির্ভরতা-সহ বিবিধ সচেতনতামূলক শিক্ষা দিয়ে আসছে। প্রতিদিনের মতো সোমবার কাজ সেরে বিকেলে কার্যালয় বন্ধ করে বাড়ি ফিরেছিলেন কর্মীরা। অভিযোগ, গভীর রাতে আচমকা ঝোড়ো হাওয়া ভবনটির ছাউনি উড়িয়ে দূরে ফেলে দেয়। এই খবর পেয়ে মঙ্গলবার ভোরে তড়িঘড়ি সেখানে পৌঁছান সকলে।

দেখতে পান প্রবল বৃষ্টিতে ভেতরে থাকা ব্যাংক বই, নথিপত্র, ফ্যান, আলো-সহ কম্পিউটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সঞ্চিত আসবাবপত্র নষ্ট হওয়ায় রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন কর্মীরা। তাঁদের মতে, এর ফলে বিপন্ন হলেন প্রায় ৪৫০ জন মহিলা। বর্তমানে জীবন-জীবিকা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম অনিশ্চয়তা। এই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হন ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি আনন্দ সরকার। তিনি বিপর্যস্ত দফতরটি পর্যবেক্ষণ করেন এবং সংস্কারের জন্য সব রকম আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দেন।

সংঘের সম্পাদিকা মানসী হালদার দাস জানান, 'এই সমিতির মাধ্যমেই আমাদের ঋণ এবং সঞ্চয়ের কাজ চলত। ঝড়ে ৫ লক্ষ টাকারও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সামনে নতুন রাস্তা বানানোর কাজ শুরু করেছিলাম। কিন্তু প্রকৃতি সব কেড়ে নিল। আমরা চাই প্রশাসন দ্রুত আমাদের মাথার ওপর নতুন ছাউনির ব্যবস্থা করে দিক'।
আনন্দ সরকার জানান, 'গ্রাম্য নারীদের স্বার্থে এই প্রতিষ্ঠান ধারাবাহিকভাবে পরিষেবা দিয়ে আসছে। আমাদের দল সর্বোতভাবে মেয়েদের প্রগতি চায়। সমবায়ের মাধ্যমে যে প্রশিক্ষণ তাঁরা পান, তার আরও অগ্রগতি হোক- এটাই লক্ষ্য। উন্নয়নের তাগিদে আমরা সবসময় তাঁদের পাশে ছিলাম, আছি আর থাকবো'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়