নিজস্ব প্রতিনিধি, গুজরাত - জেলযাত্রা এড়াতে রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে যোগ দেন ভারতীয় যুবক। তবে যুদ্ধ করতে গিয়ে ইউক্রেনের সেনার হাতে বন্দি হয়ে যান তিনি। আত্মসমর্পণ করেন ভারতীয় যুবক। এবার মুখ খুললেন ভারতীয় যুবকের মা হাসিনা মাজোতি। ছেলের সঙ্গে যোগাযোগ করতেই পারেননি তিনি।
এক সাক্ষাৎকারে হাসিনা বলেন, “গত ১৯ মাস ধরে ছেলের সঙ্গে আমার কোনও যোগাযোগ নেই। সংবাদমাধ্যম মারফত জানতে পেরেছি ছেলে বর্তমানে ইউক্রেনে রয়েছে। রাশিয়ায় ভারতীয় দূতাবাস একটি বিবৃতিতে জানিয়েছিল, কোনও নাগরিক যাতে রুশ সেনায় যোগ না দেন। ছেলের কাছে এই বার্তাটি পৌঁছনোর জন্য, আমি তাঁকে চিঠি লিখেছিলাম। চিঠিটি ভারতীয় দূতাবাসে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু চিঠিটি ছেলের কাছে পৌঁছয়নি। এরপর আমি আমার আইনজীবীর মাধ্যমে ছেলেকে চিঠি পাঠিয়েছি। কিন্তু সেটাও পৌঁছয়নি।“
তিনি আরও বলেন, “সাহিল রুশ সরকারের কাছ থেকে নাগরিকত্বের প্রস্তাব পেয়েছিল। কিন্তু তা গ্রহণ করেনি। পরে তাকে রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে যোগদানের জন্য বলা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের মারফত আমি খবর সে ইউক্রেনে রয়েছে।“ উল্লেখ্য, বন্দি ভারতীয় যুবকের নাম মাজোতি সাহিল মহম্মদ হুসেন। বয়স ২২। গুজরাতের মোরবির বাসিন্দা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ইউক্রেন সেনার তরফে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে মাজোতিকে বলতে শোনা গিয়েছে, পড়াশোনার জন্য ভারত থেকে রাশিয়া গিয়েছিলেন তিনি। যদিও পরে মাদক মামলায় গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। ৭ বছরের জেল হেফাজতের সাজা পান মাজোতি।
মাজোতি জানিয়েছেন, “১ অক্টোবর রুশ সেনার হয়ে যুদ্ধে পাঠানোর আগে মাত্র ১৬ দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় আমাকে। আমি প্রায় ২-৩ কিলোমিটার দূরে ইউক্রেন সেনার মুখোমুখি হয়েছিলাম। ওই অবস্থায় নিজের রাইফেল নামিয়ে রেখে আত্মসমর্পণ করি। আমাকে যে অর্থের বিনিময়ে যুদ্ধে যোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল সেই অর্থ আমি পাইনি। ওরা মিথ্যে কথা বলেছিল। ফলে আমি রাশিয়ায় ফিরে যাওয়ার পরিবর্তে ইউক্রেনের কারাগারে যাওয়াই পছন্দ করি।“
বাংলার পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছাবার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
ইরানে ভারতীয় পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার
ঘটনার তদন্ত শুরু পুলিশের
হলুদ সতর্কতা জারি দিল্লিতে
এমন দৃষ্টান্ত সমাজে আশা জাগায় মনে করিয়ে দেয় মানুষের পাশে মানুষই শেষ আশ্রয়
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানি
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু পুলিশের
অস্থির পরিস্থিতির মাঝে ট্রাম্প হুঙ্কার
নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত ট্রাম্প প্রশাসনের
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট আপ সাংসদের
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির মাঝে চরমে ইরান এবং আমেরিকার সংঘাত
ঘটনার তদন্ত শুরু পুলিশের
যাত্রীদের জন্য অ্যাডভাইজরি জারি বিমান সংস্থাগুলির
ইরানে ভারতীয় পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার
অস্থির পরিস্থিতির মাঝে ট্রাম্প হুঙ্কার
নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত ট্রাম্প প্রশাসনের
অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির মাঝে চরমে ইরান এবং আমেরিকার সংঘাত
যাত্রীদের জন্য অ্যাডভাইজরি জারি বিমান সংস্থাগুলির