নিজস্ব প্রতিনিধি, ত্রিপুরা – একবিংশ শতাব্দীতেও বর্ণবিদ্বেষের শিকার ত্রিপুরার পড়ুয়া। চীনা নাগরিক সন্দেহে উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনে ত্রিপুরার পড়ুয়াকে বেধড়ক মার। টানা ১৪ দিন লড়াইয়ের পর মৃত্যু হয় তাঁর। হামলাকারীদের উদ্দেশ্যে শেষবার তিনি বলেছিলেন, “আমি ভারতীয়।“ এই ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল ত্রিপুরা। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ৫ জনকে।
সূত্রের খবর, ঘটনার সূত্রপাত ৯ ডিসেম্বর। দেরাদুনের সেলাকুই এলাকায় স্থানীয় বাজারে গিয়েছিলেন অ্যাঞ্জেল চাকমার ও তাঁর ছোট ভাই মাইকেল চাকমা। এমবিএ-র ছাত্র অ্যাঞ্জেল। বয়স ২৪। অভিযোগ, সেখানে তাঁদের আটকে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য করেন ৬ জন যুবক। চাইনিজ বলে কটাক্ষ ও গালিগালাজ করা হয় তাঁদের। এরপরই দুই ভাইয়ের ওপর ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি হামলা চালানো হয়।
অ্যাঞ্জেলের ঘাড় ও মেরুদণ্ডে আঘাত লাগে। গুরুতর আহত হয়েছেন মাইকেল। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে দেরাদুনের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দু’সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার সমস্ত লড়াই থেমে গেল। মৃত্যু হয় অ্যাঞ্জেলের। আশঙ্কাজনক অবস্থা তাঁর ভাই মাইকেলেরও। শেষবার যুবকদের উদ্দেশ্যে অ্যাঞ্জেল বলেন, ”আমরা চীনা নই, আমরা ভারতীয়। সেটা প্রমাণ করতে আপনাদের কোন নথি দেখাতে হবে?” অপরাধীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
ইরানে ভারতীয় পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার
ঘটনার তদন্ত শুরু পুলিশের
হলুদ সতর্কতা জারি দিল্লিতে
এমন দৃষ্টান্ত সমাজে আশা জাগায় মনে করিয়ে দেয় মানুষের পাশে মানুষই শেষ আশ্রয়
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানি
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু পুলিশের
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট আপ সাংসদের
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
ঘটনার তদন্ত শুরু পুলিশের
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা
যোগীর থেকে অনুপ্রেরণা
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় উন্নতি ভারতের
শৈত্যপ্রবাহের লাল সতর্কতা জারি
বিশ বাঁও জলে ভারত-আমেরিকার বাণিজ্যচুক্তি
ভারতীয় নাগরিকদের সতর্কবার্তা দূতাবাসের
পরিবারের সঙ্গে মাত্র ১০ মিনিট দেখা করার অনুমতি
সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল ভিডিও
‘নো বোট নো ভোট’
নিউ ইয়র্কের জেলে বন্দি মাদুরো