নিজস্ব প্রতিনিধি, কারাকাস – গত ৩ জানুয়ারি ভোররাতে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস সহ একাধিক জায়গায় বোমাবর্ষণ করে মার্কিন সেনা। এরপরই সস্ত্রীক ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দি করে মার্কিন সেনার ‘ডেল্টা ফোর্স’। মাত্র ২ ঘণ্টার এই অভিযানের নাম ছিল ‘অপারেশন অ্যাবসোলিউট রিজলভ’। মাদুরোর অপহরণের নেপথ্যে বিশ্বাসঘাতকতা! সেই সম্ভাবনাই জোরালো হচ্ছে।
একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন গোয়েন্দাদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিয়োসডাডো কাবেয়োর। আগে থেকেই মাদুরোর নিরাপত্তা বলয় সহ বিভিন্ন গোপন তথ্য মার্কিন সেনার হাতে ছিল। এই খবর ভেনেজুয়েলার প্রাক্তন প্রেসিডেন্টেরই ‘ঘনিষ্ঠ’ ছাড়া কারোর পক্ষে জানা সম্ভব নয়। তাহলে কি ঘর শত্রু বিভীষণ! বিশ্বাসঘাতকতার তত্ত্বই সত্যি!।
মাদুরোকে অপহরণের পর ট্রাম্পের প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর চোখে কালো চশমা, কানে শব্দনিরোধক আবরণ, হাত হাতকড়া পরানো। তাঁর হাতে একটি জলের বোতল। মার্কিন জাহাজে করে নিউ ইয়র্কে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তাঁকে। সূত্রের খবর, যখন মার্কিন ডেল্টা ফোর্স হামলা চালায়, তখন স্ত্রীর সঙ্গে ঘুমোচ্ছিলেন মাদুরো। সেই সময় তাঁকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে আমেরিকার নিউ ইয়র্কের কুখ্যাত ব্রুকলিন জেলে রয়েছেন মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রী।
অশান্ত মধ্যপ্রাচ্যের আঁচ গোটা বিশ্বে
তেজস্ক্রিয় বিকিরণ নিয়ে শঙ্কা
মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে
ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার আমেরিকার
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যুদ্ধ
নিজেদের বিমানকেই আক্রমণ
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ দালাল স্ট্রিটে
উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর
অপারেশন সিঁদুরে ধ্বংস হয়েছিল পাকিস্তানের বিমানঘাঁটি
ঘাত-প্রত্যাঘাত চলছে পশ্চিম এশিয়ায়
প্রতি মুহূর্তে বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
লেবানন জুড়ে হামলা ইজরায়েলের
খামেনেইয়ের মৃত্যুর বদলা নিতে মরিয়া তেহরান
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আঁধার
হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর